Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০১-০৫-২০১৬

বেড়াতে গেলে যে কারণে টয়লেটের প্রয়োজনীয়তা কম থাকে

বেড়াতে গেলে যে কারণে টয়লেটের প্রয়োজনীয়তা কম থাকে

দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে সবার মনে টয়লেট ব্যবহারের বিষয়টি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ যার যার বাসার টয়লেটটাই সবচেয়ে ভালো। অন্যটাতে গেলে কেমন যেনো গা গুলিয়ে আসতে চায়। ক্রিসমাস উপলক্ষে আমেরিকার ১০০ মিলিয়ন মানুষ কোথাও না কোথাও ঘুরতে যান। তখন তাদের টয়লেট ব্যবহার বড় চিন্তার বিষয়। অথচ কোথাও বেড়াতে গেলে মানুষের এ কাজের চাপটাও কমে আসে বিশেষ কারণে। অদ্ভুত বিষয়টি বিজনেস ইনসাইডারে খোলাসা করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মানুষ তার অন্ত্রে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া বহন করে। ঘুরতে গেলে নিয়মিত খাদ্যতালিকাও বদলে যায়। এদের ওপর নির্ভর করে অন্ত্রে কতটুকু মল জমতে পারে। পর্যটকদের ৪০ শতাংশ নিয়মিত টয়লেটের চাপ থেকে অনেকটা বেঁচে যান। এ সময়ে অন্ত্রে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। মূলত বাড়ি থেকে অন্য কোথাও গেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন আচরণ করে। এটা দৈনন্দিন নিয়মের পরিবর্তন যার সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রমও বদলে যায়। ভিন্ন পরিবেশ পেলেই এই ব্যাকটেরিয়ার নিয়মিত পরিবেশ পাল্টে যায় বলে জানান নিউ ইয়র্কের ডায়েটেশন বিশেষজ্ঞ ব্রুক আলপার্ট।

ধরুন, আপনি বাড়ি থেকে বের হয়ে দূরে কোথাও যাচ্ছেন। সেখানে পৌঁছানোর আগেই ব্যাকটেরিয়া নতুন পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। তা ছাড়া নড়াচড়ায় অন্ত্রেও পরিবর্তন আসে। যেমন অনেকটা সময় ধরে বিমানে বা গাড়িতে বসে থাকলে অন্ত্রনালীকে সরু করে দিতে পারে। এতে এ পথে বর্জ্য বের হয় যাওয়ার জন্যে যে চাপ প্রয়োজন তা অনুভূত হয় না। তাই টয়লেটের বেগও তেমনটা অনুভূত হয় না।

এক সময় থেকে ভিন্ন সময়ের স্থানে গেলেও অন্ত্রে পরিবর্তন আসতে পারে। সাধারণ মানুষের অন্ত্রের কাজ একটা রুটিনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। প্রতিদিন সাধারণত একই সময়ে সে টয়লেটে যায় এবং বর্জ্য ত্যাগ করে। কিন্তু নতুন সময়ে গেলে তার অন্ত্রের কাজও কয়েক ঘণ্টা এদিক-ওদিক হয়ে যায়।

এমনকি যাত্রার ক্লান্তি বা স্ট্রেস পর্যন্ত মানুষের নিয়মিত মল ত্যাগের অভ্যাস বদলে দিতে পারে। গোটা অন্ত্রনালীজুড়ে প্রচুর নিউরোন ছড়িয়ে থাকে। এগুলো খাবার হজমে নানা দায়িত্ব পালন করে। এমন নিউরোন রয়েছে মস্তিষ্কে। স্ট্রেসের কারণে তাই অন্ত্রের নিয়মিত কর্মপ্রক্রিয়ায় বাধার সৃষ্টি হয়। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজিস্ট এলিজাবেথ বিক মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের এ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন।

ঘুরতে যাওয়ার সময় গুছিয়ে নেওয়া, ভীড় ঠেলে বিমান বা বাসে ওঠা, দৈনন্দিন জীবনযাপনের পরিবর্তন সবকিছুর জন্যেই অন্ত্রের কার্যক্রম বদলে যাবে।

এ ছাড়া কিছু উপায়ে অস্বস্তিকর স্থানে টয়লেটের চাপ এড়ানো সম্ভব। যেমন, দইয়ের মতো ফার্মেন্টেড খাবার মলের চাপ থেকে স্বস্তি দেয়। এ ছাড়া বেশি পরিমাণ আটা-ময়দায় তৈরি এবং চর্বিযুক্ত খাবারে কৌষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় পর্যটকদের মাঝে। কাজেই টয়লেটের চিন্তায় দূরে ভ্রমণের পরিকল্পনা বাদ না দেওয়াই ভালো।

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে