Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৯-১০-২০১৮

প্রতিদিন কেন কলা খেতে হবে? 

প্রতিদিন কেন কলা খেতে হবে? 

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দূর হয়, অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো। তবে এখানেই শেষ নয়, নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করলে আরও নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা কর হবে। 

তবে তার আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর আলোকপাত করা হবে। কী বিষয়? সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবেমার গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় উঠে এসেছে এক আজব তথ্য। তারা জানাচ্ছেন প্রতিদিন কলার মতো পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ফল খাওয়া শুরু করলে আর্টারির কর্মক্ষমতা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর হার্ট যখন ঠিক মতো কাজ করতে শুরু করে, তাখন শরীর নিয়ে যে আর কোনও চিন্তা থাকে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! এখন প্রশ্ন হল হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি শরীরকে সুস্থ রাখতে আরও কী কী ভাবে কাজে আসে এই ফলটি?

 ১. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে: 
কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই তো টাইপ ১ এবং ২, দু ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যদি এই মারণ রোগ থেকে দূরে রাখতে হয়, তাহলে কিন্তু নিয়মিত এই কলা খাওয়া মাস্ট! 

২. অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমে: 
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের প্রবেশ ঘটে যে অ্যাস্থেমার প্রকোপ প্রায় ৩৪ শতাংশ কমে যায়। তাই তো বলি বন্ধু, এমন রোগের খপ্পর থেকে যদি বেরিয়ে আসতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে এই ফলটিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না যেন!

৩. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: 
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে কলার অন্দরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই পুজোর পর থেকে যদি পেটটা ঠিক না যায়, তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। 

৪. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়: 
বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘরির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? ফিকার নয়! এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নেবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই কারণেই তো অ্যাথেলিটদের রোজের ডেয়েটে আর কিছু থাকুক না থাকুক কলা থাকেই! 

৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: 
কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার অন্দরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে: 
কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! প্রসঙ্গত, ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। 

৭.অ্যানিমিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমে: 
কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে।


তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই
আরএস/ ১০ সেপ্টেম্বর

 

গবেষণা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে