Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৯-০২-২০১৮

সেলফি তুলতে গিয়ে নৌকাডুবি, ৩ জনের লাশ উদ্ধার

সেলফি তুলতে গিয়ে নৌকাডুবি, ৩ জনের লাশ উদ্ধার

পাবনা, ০২ সেপ্টেম্বর- পাবনার চাটমোহরের চলনবিলে নৌকা ভ্রমনের সময় সেলফি তুলতে গিয়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ৫ জনের মধ্যে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরী দল। এখনো বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ দুইজন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারের জন্য সর্বচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় এই ঘটনা ঘটে।

তিনজনের মধ্যে শুক্রবার রাতে একজনের এবং শনিবার দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুর্ঘটনা কবলিত নৌকাটিও উদ্ধার করে উদ্ধারকারীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরী দলের প্রধান মো: নুরুন্নবী।

এ ঘটনায় এখনও দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন। তারা হলেন ঈশ্বরদীর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল বেলাল গণি ও ঈশ্বরদী আমবাগান এলাকার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম স্বপন বিশ্বাস।

নৌকার ছইয়ে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুলতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী পাইকপাড়া গ্রামের আশরাফ আলীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন ও আবদুস সামাদের ছেলে সুমন হোসেন জানান, সূর্য ডোবার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে নৌকার ছইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে বেশিরভাগ যাত্রী মোবাইল ফোনে সেলফি তোলার চেষ্টা করলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ছই ভেঙে নৌকাটি সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যায়। তাৎক্ষণিক ১৭ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও ছইয়ের নিচে বসে থাকা পাঁচজনকে উদ্ধার করা যায়নি।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কয়েকজন বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈশ্বরদী ডাল গবেষণা কেন্দ্রের কয়েকজন কর্মকর্তা নৌকা ভ্রমনে বের হন। ২২ জন সদস্যকে নিয়ে শুক্রবার সকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার নৌবাড়িয়া ঘাট থেকে নৌকা ভাড়া করে তারা চলনবিল ভ্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তাড়াশ উপজেলা ভ্রমণ শেষে সন্ধ্যায় চাটমোহরে ফেরার পথে হান্ডিয়ালের পাইকপাড়ায় এলাকায় তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও উদ্ধার তৎপরতার খোঁজ খবর নেন জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন। এছাড়া দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার ও সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) তাপস কুমার পাল।

অসীম কুমার জানান, বাকীদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাজ করছে। লাশ উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চালানো হবে। বিষয়টি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রথম উদ্ধারকাজে অংশ নেয়া কিশোর সুমন হোসেনকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

লাশগুলো ঈশ্বরদীতে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ঈশ্বরদীর সলিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথা। গভীর রাত পর্যন্ত তিনি সেখানে ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বিডি২৪লাইভ
আরএস/ ০২ সেপ্টেম্বর

পাবনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে