Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-২৫-২০১৮

কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও!

নাইমুর রহমান


কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও!

নাটোর, ২৫ আগস্ট- নাটোরের লালপুরে ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে পালিয়েছেন ওই প্রতিষ্ঠানের গণিত বিভাগের শিক্ষক মামুন হোসেন। প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী চিত্রা (ছদ্ম নাম) নামের ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুক্রবার রাতে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন ওই শিক্ষক।

শনিবার সকাল থেকে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তোলপাড়। লোকমুখে জেনে প্রতিষ্ঠান প্রধান অধ্যক্ষ রাকিব হোসেন ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান অভিযুক্ত শিক্ষক ও নিখোঁজ ছাত্রীর বাড়ি গিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন। পরে ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও লালপুর থানার পুলিশকে অবগত করা হয়।

এ দিকে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীর খোঁজে মাঠে নামেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে তাদের অবস্থান জানার চেষ্টা করেন স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ভুল ঠিকানা দিয়ে কর্তৃপক্ষকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তারা জানান।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক ও লাললপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামের মৃত সামেদ মন্ডলের ছেলে মামুন হোসেন প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী চিত্রাকে (ছদ্ম নাম) বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শিক্ষক মামুন হোসেন শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শিক্ষক মামুন হোসেনের স্ত্রীসহ ৪ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। সাত বছর আগে বর্তমান স্ত্রীকেও জোর করে বিয়ে করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানাযায়, গত চার বছর আগে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণিতের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রাকিব হোসেন জানান, লোকমুখে শুনে ছাত্রী এবং শিক্ষকের বাড়ি গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় মামুন হোসেনের স্ত্রীও তাদের ঘটনাটি জানিয়েছেন। তারা ছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। ঘটনার বিষয়টি ইউএনও ,থানাসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হয়েছে। তবে লিখিতভাবে কোন অভিযোগ বা আবেদন করেননি ছাত্রীর পরিবার থেকে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রথম স্ত্রীকে জোর করে বিয়ের করার অভিযোগ লোকমুখে প্রচারিত বলে জানান তিনি। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

স্কুল এন্ড কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ওয়ালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাত্রীটিকে উদ্ধারের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক মামুন হোসেনে সাথে যোগাযোগ করা হয় তাদের অবস্থান জানার জন্য। কিন্তু শিক্ষকের দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি। ওই শিক্ষক মিথ্যা কথা বলে তাদের হয়রানি করছেন। শিক্ষক মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান, ঘটনাটি শুনেছেন তবে কোন অভিযোগ করেননি কেউ।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তাকে অবগত করার আগে গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে জেনেছেন। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসহ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ছাত্রীটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/১৭:১৪/২৫ আগস্ট

নাটোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে