Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১৭-২০১৮

গরিবের চাল পেল ধনীরা! 

শামসুজ্জোহা বাবু


গরিবের চাল পেল ধনীরা! 

গোদাগাড়ী, ১৭ আগস্ট- ঈদ সামনে রেখে অসহায় গরীব ও দুঃস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে চাল বিতরণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে (১৬ ই আগস্ট) বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভাতে হাজির হন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।

এ সময় পৌরসভার চার হাজার ছয়শত একুশ জন সাধারণ জনগণের জন্য ৯২.৪২০ মেট্রিক টন বরাদ্দকৃত চাল সঠিক বন্টন না হওয়ায় রাগ করে চাল বিতরণ কর্যক্রম উদ্বোধন না করে চলে যান।

চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে আসার পরপরই কিছু নারী- পুরুষ সংসদ সদস্যের কাছে গিয়ে বলেন, আমরা গরীব দিনমজুর হয়েও ভিজিএফ এর চালের কার্ড পাইনি। আমরা গোদাগাড়ী পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরের দারে দারে ঘুরে কোন লাভ হয়নি তাই আপনার কাছে এসেছি। অভিযোগকারী নারী ও পুরুষেরা হলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইয়াসিনের ছেলে ফাইজুদ্দিন,৮ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিকের ছেলে মোক্তার হোসেন, রইসুদ্দীনের ছেলে রেজাউল, সাধুর স্ত্রী সোনিয়া, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বদর আলীর স্ত্রী শানুয়ারা।

এছাড়া ইপার উদ্দীনের স্ত্রী সাবিয়া, মুন্তাজের স্ত্রী সুফিয়া, নাসিমের স্ত্রী সাকেরা, মাহাতাবের স্ত্রী কিসমতারাসহ সবাই অভিযোগ করেন, আমরা গরীব কোন রকম পরের জমিতে কাজ করে রুটি রুজি ব্যবস্থা করি কিন্তু মেয়র মনিরুল ইসলাম বাবু ও কাউন্সিলরের পেছনে ঘুরে ঘুরে কোনদিনও ভিভিএফের চাল পাই না। এছাড়াও অনেক বিধবা, ভূমিহীন, এতিম, প্রতিবন্ধীরা এই চালের কার্ড পাননি। তাহলে কারা পাবে এই চালের কার্ড। গরীবের চাল ধনীরা পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে চাল বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন না করে চলে গেলেন সংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী।

ওমর ফারুক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা জনগণের আস্থার প্রতীক মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি এই চাল বরাদ্দ দিয়েছেন সাধারণ অসহায় দুস্থ মানুষের জন্য আর এই চাল গরীদের না দিয়ে ধনীদের দিয়ে যে অন্যায় করেছে তাদের ছাড় নাই। যে নেতা গরীবের এই চাল চুরি করে তাকে হিসাব দিতে হবে।

মেয়র মনিরুল ইসলাম বাবুর উদ্দেশ্যে এমপি বলেন, হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ চাল পায়না তাহলে চালের সুষ্ঠু বন্টনের জন্য কি হচ্ছে তা বোঝায় যাচ্ছে। বিগত দিনে চাল বিতরণ করা হয় ১০ কেজি করে কিন্তু সাধারণ জনগণ অভিযোগ করে বলেন, আমরা ৭-৮ কেজি করে পেয়েছি। তাহলে কিভাবে সুষ্ঠু বন্টন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবার জন প্রতি ২০ কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, আপনারা ওজনে ১০ গ্রাম চালও কম নিবেন না। আমি সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলাম সব নিয়ম কানুন দেখে কোন ত্রুটি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব বলে জানান। এ সময় ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহাবুবুর রহমান বিপ্লবের ওয়ার্ডের অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন।

তখন বিপ্লব বলেন, জনসংখ্যা অনুযায়ী আমি ১৮৮ টি কার্ড পেয়েছি আমি তো সবাইকে দিতে পারবো না। উত্তরে এমপি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণ ৪০০ টি কার্ড পাওয়ার কথা কিন্তু কম কেন উত্তরে পৌর মেয়র নিরব ভূমিকা পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বিডি২৪লাইভ
আরএস/০৮:০০/ ১৭ আগস্ট

রাজশাহী

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে