Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-০৯-২০১৮

প্রকাশ্যে রমরমা ঘুষ বাণিজ্য! (ভিডিও) 

প্রকাশ্যে রমরমা ঘুষ বাণিজ্য! (ভিডিও) 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ০৯ আগস্ট- চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রকাশ্যেই চলছে ঘুষ বাণিজ্যের রমরমা ব্যবসা। এমন অভিযোগ প্রায় শোনা যেত। সরেজমিনে হটাৎ একদিন অফিসটিতে গিয়েই দেখা মিলে ঘুষ লেনদেনের ভয়াবহ চিত্র।

ঘুষ লেনদেনের সমস্ত চিত্র ধারণ করা হয় গোপন ক্যামেরাই। এটা নতুন কোন ঘটনা না বলে জানান স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তারা জানান টাকা ছাড়া ভূমি অফিসটির একটা পাতাও উল্টে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ভূমি কর্মকর্তা প্রতিদিন ৩/৪টি ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল খেয়ে পাশের ঘরে বিছানাই শুয়ে থাকেন।

আর ফেন্সিডিল কিনে আনার জন্য রয়েছে তার একান্ত স্থানীয় দুই যুবক। মুলত ঐ বিছানা থেকেই অফিস পরিচালনা করে থাকেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধার কোটাই চাকুরী তার তাই কাউকে ভয় পাইনা সে। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ রয়েছে ডজন ডজন।

এবার জানা যাক, কে এই মাদকাসক্ত মাফিয়া কর্মকর্তা- তিনি বিনোদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম। প্রায় দুই বছর যাবত এ অফিসে কর্মরত রয়েছেন তিনি। উপজেলার সোনামসজিদ এলাকার শিয়ালমারা গ্রামে তার বাড়ি।

কি এমন কাজের জন্য এভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করা হলে জবাবে শরিফুল ইসলাম চুপ থাকেন। কথা না বলে এড়িয়ে যান তিনি। তবে মুখ খুলতে বাধ্য হন ঐ অফিসে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী। বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিনোদপুর খাসেরহাট বাজারের সরকারি খাস জমিতে দোকানঘর বন্দোবস্ত করে দিবে বলে শরিফুল ইসলাম হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাজারের ভুক্তভোগী কয়েকজন দোকানদার জানান, দোকানঘর বন্দোবস্ত করার জন্য বাজারের অনেক দোকানদার উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করে। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্ব দেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে। আর এ সুযোগে প্রত্যেক দোকানদারের কাছ থেকে ১০ হাজার, ২০ হাজার ও ৩০ হাজার পর্যন্ত টাকা নেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত মোট ৫০ থেকে ৫৫ জন দোকানঘর বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করেছে। তাহলে প্রতিজন দোকানদারের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার পরিমাণ কমপক্ষে প্রায় ১০/১১ লাখ টাকা।

টাকা বেশি দিলে ভাল জায়গা বরাদ্দ করে দিবে, কম হলে খারাপ জায়গা দিবো বলে লুফে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। এমনটিই অভিযোগ করেছেন সেরাজুল হক, বদিউর রহমান, কাউসার আলী নামের কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি।

তবে নিজের ঘুষ নেওয়ার চিত্রটি দেখার পরে স্বীকার করতে বাধ্য হন ভূমি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম। কিন্তু অস্বীকার করেন মদ্যপানের বিষয়টি। তিনি বলেন, শুধু আমি একাই না, আমার নাম ভাঙ্গিয়ে বিনোদপুর এলাকার ক্ষমতাশীন দলের নেতারাও টাকা নেয়। তাদেরকে প্রশ্ন করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বরমান হোসেন জানান, তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 


তথ্যসূত্র: বিডি২৪লাইভ
আরএস/০৮:০০/ ০৯ আগস্ট

 

চাপাইনবাবগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে