Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (60 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-২৯-২০১৮

৩০ শিশুকে ধর্ষণ করল শিক্ষক!

ইসমাইল হোসেন রবিন


৩০ শিশুকে ধর্ষণ করল শিক্ষক!

লক্ষীপুর, ২৮ জুন- লক্ষীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ধর্মীয় ধর্মান্ধতার ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ৩০ শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে খন্ডকালীন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়টির খন্ডকালীন শিক্ষক তোফায়েল আহমদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠার পর থেকে সে কৌশলে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসী তোফায়েল আহমেদের বিচার দাবি করেন। অপরদিকে প্রভাবশালী একটি চক্র ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিন বছর ধরে তিনি সদর উপজেলার চর রমনী মোহন এলাকার হাওলাদার বাড়িতে লজিং থেকে প্রাইভেট পড়াতেন।

মঙ্গলবার (২৬ জুন) একইভাবে এক ছাত্রীকে এমন কাজ করলে সে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। এর পর স্কুলের শিক্ষকদের বিষয়টি জানালে তাৎক্ষনিকভাবে অন্য ৭-৮ জন ছাত্রীও তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে বলে জানান।

এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা জানান, লক্ষীপুর সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়নের করাতির হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন বছর পুর্বে খন্ডকালীন শিক্ষক নিযুক্ত হন তোফায়েল আহমদ। তার বাড়ী সদর উপজেলার মাছিম নগর গ্রামে। স্থানীয় হাওলাদার বাড়ীতে লজিং মাষ্টার থেকে পাশবর্তী একটি মসজিদে ইমামতি করতেন দুই বছর পূর্বে তাকে স্কুলে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে নিযোগ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি সকালে আরবী শিক্ষা ও রাতে প্রাইভেট পড়াতেন ওই শিক্ষক। এ সুবাধে কোমলমতি শিশু ছাত্রীদের কোরান হাদীসের ভয় দেখিয়ে শিক্ষকের সকল কথা মানতে অনুরোধ করে যৌন হয়রানি (ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানি) করে আসছিলেন শিক্ষক তোফায়েল।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান বুধবার দুপুরে ৪-৫ জন অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে অভিযোগ করেন ‘খন্ডকালীন শিক্ষক তোফায়েল আহম্মদ তার কাছারি ঘরে প্রাইভেট পড়ানোর সময় তাদের মেয়েদের ধর্ষণ করেন’ তারা এর বিচার দাবি করেন।

শিক্ষক তোফায়েলের সকল অপকর্ম ফাঁস হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত অভিভাবকরা জানান অন্ততপক্ষে ৩০ ছাত্রীকে ওই শিক্ষক কতৃক যৌণ হয়রানির শিকার হয়েছেন। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে কৌশলে অভিযুক্ত শিক্ষক তোফায়েল আহমদ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার শিকার একাধিক শিক্ষার্থী জানান, হুজুর স্যারে (তোফায়েল আহমদ) খারাপ কাজ (ধর্ষণ) করতো শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিতো, কাউকে না বলার জন্য কোরআন হাদিস ধরিয়ে ভয় দেখাতো। আর কাউকে বললে রুপালী পাগলীর মতো হয়ে যাবি বলে ভয় দেখাতো। এ কারণে অনেকেই ভয়ে মুখ খোলেনি বলে জানান।

ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বৃহস্পতিবার (২৮ জন) বিকালে লক্ষীপুর সদর উপজেলা র্নিবাহী কর্মকতার নিকট অভিযোগ দেন। লক্ষীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী মোহাম্মদ শাহাজান আলী তিনি ঘটনাটি শুনেছেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা এ বিষয়ে তিনি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ

আর/১০:১৪/২৮ জুন

লক্ষীপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে