Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (30 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-০৯-২০১৮

আ.লীগের কেউ মাদকে জড়িত থাকলে বহিষ্কার: মতিয়া

আ.লীগের কেউ মাদকে জড়িত থাকলে বহিষ্কার: মতিয়া

শেরপুর, ০৯ জুন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগের যে কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত সে যে দলেরই হোক না কেন তাদেরকে কোনো প্রকার ছাড় দেবেন না। আওয়ামী লীগেরও যদি কেউ এই অপকর্ম করে ধরা পড়ে, তাহলে কোনো প্রকার সুপারিশতো দূরের কথা, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’
নিজ নির্বাচনী এলাকা শেরপুরের নকলার বাউসা দিশারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপহার ও প্রণোদনা পুরস্কার এবং গরীব-দুঃস্থদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে শনিবার তিনি এসব কথা বলেন।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ৩৬০টি মদের লাইসেন্স দিয়ে বাংলাদেশে মাদক ব্যবসা চালু করেন। সে ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মাদক বাংলাদেশে ভয়াবহ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। আর মাদক নির্মূলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে কেবল চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাচ্ছে। শেখ হাসিনা বিনা কারণে কোনো মায়ের বুক খালি করেন না। যেমনটা করেছে ওই সন্ত্রাসী বিএনপি।’

তিনি বলেন, একটা দেশকে ধ্বংস করতে যুব সমাজকে বিপথগামী করতে পারলেই যথেষ্ট। বিএনপি সরকারের আমলে যুবসমাজকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত করা হয়েছিল। দেশ যখন বিপদের দিকে ঠিক সে সময়েই শেখ হাসিনা যুব সমাজকে রক্ষায় মাদক নির্মূলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।’
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে জেনেই নির্বাচন থেকে সরে আসতে নানা পাঁয়তারা করছে। কোনো একদল খেলায় অংশগ্রহণ না করলে কিন্তু খেলা থেমে থাকে না। তারা নির্বাচনে আসবে কি আসবে না সেটা তাদের দলীয় বিষয়। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্ধারিত সময়েই সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৮ ও ১৯৯০ সালে রোহিঙ্গারা এদেশে এসেছিল, তখন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া তাদের দেখতে পর্যন্ত যাননি। অথচ ২০১৬ সালে ফের রোহিঙ্গারা এ দেশে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিকই তাদের বাঙালিদের মতোই দেখছেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব কুমার সরকার, উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মাহবুবুল আলম সোহাগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটনসহ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: পেট্রোলে পুড়িয়ে মারার সময় তো মানবাধিকারের কথা শুনি নাই: মতিয়া

মন্ত্রী উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটির ৮ম শ্রেণির মেধাক্রম অনুসারে টপটেনদের মাঝে ৫১০টি থ্রিপিস, নবম শ্রেণির টপটেনদের মাঝে ৪৮০টি শাড়ি ও দশম শ্রেণির মেধাবী প্রথম দশজন করে মোট ৪৮০ মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ৫০০ টাকা করে মোট দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রণোদনা বিতরণ করেন। এছাড়াও গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে শাড়ি, ট্রাউজার-গেঞ্জি, শার্ট ও খেজুর বিতরণ করেন।

তথ্যসূত্র: আরটিভি অনলাইন
আরএস/০৯:০০/ ০৯ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে