Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-০৬-২০১৮

জাকাতের কাপড় নিয়ে ভাগবাটোয়ারা যুবলীগ নেতাদের 

জাকাতের কাপড় নিয়ে ভাগবাটোয়ারা যুবলীগ নেতাদের 

খুুলনা, ০৬ জুন- খুুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) পক্ষ থেকে বিতরণের জন্য জাকাতের শাড়ি ও লুঙ্গি কেনার দরপত্র ভাগবাটোয়ারা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার নগর ভবনে পাহারা বসিয়ে প্রায় ৭৬ লাখ টাকার দরপত্র ভাগ করে নেন যুবলীগ নেতারা। যুবলীগ নেতাদের বাধায় সাধারণ ঠিকাদাররা কেউ দরপত্র জমা দিতে পারেননি। দুটি গ্রুপে শাড়ি ও লুঙ্গি কেনার জন্য ১৯টি শিডিউল বিক্রি হলেও জমা পড়েছে মাত্র ৩টি করে।

এদিকে দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ায় যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যেও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে লাঞ্ছিত হয়েছেন মহানগর যুবলীগের সদস্য জাহিদুল ইসলাম খলিফা। গতকাল দলীয় কার্যালয়ের সামনে তাকে মারধর করা হয় এবং তার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়। এ ব্যাপারে জাহিদ জানান, ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

সাধারণ ঠিকাদারদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে জাকাতের শাড়ি ও লুঙ্গির দরপত্র ভাগবাটোয়ারা করা হচ্ছে। গত ১৫ মে কেসিসি নির্বাচনের আগে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক বিজয়ী হলে এসব টেন্ডারবাজি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

কেসিসির ভাণ্ডার শাখা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারো ঈদের আগে শাড়ি ও লুঙ্গি কেনার জন্য ২৫ মে দুটি গ্রুপে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দুস্থদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১৭ হাজার ২৫ পিস শাড়ি এবং ৪ হাজার ৫০ পিস লুঙ্গি কেনার শিডিউল বিক্রির শেষ দিন ছিল গত ৪ মে। নির্ধারিত সময়ে দুটি গ্রুপে ১৯টি শিডিউল বিক্রি হয়। গতকাল মঙ্গলবার দরপত্র বাক্স খোলার সময় ভেতরে দুটি গ্রুপে মাত্র ৩টি করে ৬টি শিডিউল পাওয়া যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দু’জন ঠিকাদার অভিযোগ করেন, গত রাতেই তাদের ভয় দেখিয়ে শিডিউল কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যাদের শিডিউল নেওয়া হয়নি, তারাও ভয়ে জমা দিতে যাননি।

এ ছাড়া কেসিসি ঠািকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ বলেন, ঘটনার কথা শুনেছি। গতবারও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল।

তবে দরপত্র ভাগবাটোয়ারার বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে কিছুই জানেন না বলে জানান মহানগর যুবলীগের সদস্য নাহিদুজ্জামান মুন্সি।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ অভিযানের মধ্যেও ‘মসজিদে’ চলছে ইয়াবার কারবার!

কেসিসির স্টোর সুপার শেখ মহিউদ্দিন হোসেন বলেন, দুটি গ্রুপে তিনটি করে দরপত্র জমা পড়েছে। দুটি গ্রুপেই সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে মেসার্স এসএইচ এন্টারপ্রাইজ। দরপত্র জমা দিতে বাধা বা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করেনি কেউ।

তথ্যসূত্র: বিডি প্রতিদিন
আরএস/০৯:০০/ ০৬ জুন

খুলনা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে