Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.1/5 (52 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-১৮-২০১৮

হোমিও খেয়ে দিন কাটছে জাকিরের

হোমিও খেয়ে দিন কাটছে জাকিরের

গাইবান্ধা, ১৮ মে- হাতে প্রায় ৪ কেজি ওজনের একটি টিউমার নিয়ে দিন কাটাচ্ছে জাকির হোসেন (১৩)। তার বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাতগিরি গ্রামে।

ধীরে ধীরে তার এই টিউমার থেকে সারা শরীরে মরণঘাতি ক্যান্সার রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই জাকির হোসেনের বাবা আ. মজিদ মিয়া একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে দেশের চিকিৎসক ও বিত্তবান মানুষদের সহযোগিতা চেয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে জাকির হোসেন ৪র্থ। পার্শ্ববর্তী কাঠগড়া সাতগিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে সে। বাবা আ. মজিদ মিয়া কৃষি কাজ করেন। আর মা কুলসুম বেগম গৃহিণী। তিনি অন্যের বাড়িতেও কাজ করেন।


আ. মজিদ মিয়া বলেন, ২ বছর আগে জাকিরের ডান কাঁধে একটি ছোট টিউমার দেখা দিলে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপর টিউমার বড় হতে থাকলে ১৫ দিন পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসকের কাছে যাই। তার পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হয় ও টিউমারের কিছু অংশ কেটে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এরপরে সেই ফলাফলে রোগের লক্ষণ ভালো নয় বলে জানান চিকিৎসক।

আর এই টিউমার শরীরের রক্ত চুষে খাবে ও টিউমার থেকে রক্তের মাধ্যমে ক্যান্সার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। তিনি কোনো ওষুধ দেননি। এরপর বাড়ি ফিরে স্থানীয় আরেক চিকিৎসকের কাছে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ানো হয় জাকিরকে। এতেও ভালো না হলে একমাত্র ছেলে জাকিরকে নিয়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সহকারী অধ্যাপকের (ক্যান্সার রোগ বিশেষজ্ঞ) শরণাপন্ন হই।

এই চিকিৎসক কয়েকটি পরীক্ষা-নীরিক্ষা দিলে টাকার অভাবে সেগুলো করাতে পারিনি। পরে বাড়ি ফিরে আবারও জাকিরকে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ানো হয়। তাতেও কোনো উপকার হয়নি জাকিরের। আর এরপর থেকে উন্নত চিকিৎসা ছাড়াই দিন কাটছে জাকিরের।


আ. মজিদ মিয়া আরও বলেন, বর্তমানে জাকিরের শরীরের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সে শুকিয়ে যাচ্ছে। তার খাওয়ায় রুচি নেই। বর্তমানে জাকির টিউমারের কারণে আর স্কুলেও যেতে পারে না। ঠিকমতো হাটতেও পারে না। তার চিকিৎসার জন্য আমি দেশের চিকিৎসক ও বিত্তবান মানুষদের সহযোগিতা চাই।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য রানু মিয়া বলেন, আ. মজিদ মিয়া কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। আর্থিক দুরাবস্থার কারণে জাকিরের টিউমারের চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। দিন দিন তার টিউমারটি বড় হচ্ছে। এখনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়া হলে জাকিরের মৃত্যু হতে পারে।।

জাকিরের সঙ্গে ০১৭৭০-৯৯১৬৩৬ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া আ. মজিদ মিয়া, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, বামনডাঙ্গা শাখা, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা ০১০০১৩২১৩৭৬৭১ এই সঞ্চয়ী হিসাব নম্বরে সাহায্য পাঠানো যাবে।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪

আর/১০:১৪/১৮ মে

গাইবান্দা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে