Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (70 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-২৭-২০১৮

বিজিএমই আর সময় না চাওয়ার মুচলেকা দিলে বিবেচনা করবে সুপ্রিম কোর্ট 

বিজিএমই আর সময় না চাওয়ার মুচলেকা দিলে বিবেচনা করবে সুপ্রিম কোর্ট 

ঢাকা, ২৭ মার্চ- আর সময় চাওয়া হবেনা এই মর্মে মুচলেকা দিলে ভবন ভাঙতে বিজিএমইএ’র সময় আবেদনের বিষয়ে বিবেচনা করবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ভবন ভাঙতে তৃতীয়বারের মত বিজিএমইএ’র সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

মঙ্গলবার আদালতে বিজিএমইএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই বহুতল বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ এজ’ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

ওই দিনই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনিরউদ্দিন প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের নজরে আনেন। এর পরদিন হাইকোর্ট বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।

এরপর ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন।

রায়ে বিজিএমইএ কে নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি ভাঙতে বলা হয়। এবং ভবনটি নির্মাণের আগে ওই স্থানের ভূমি যে অবস্থায় ছিলো সে অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু ওই বছরের ৫ এপ্রিল বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে আপিল বিভাগ সে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বাড়ান।

তবে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ। কিন্তু ২০১৬ সালের ২ জ‍ুন সে লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

এরপর রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে (রিভিউ) আবেদন করেন বিজিএমইএ। পরে ২০১৭ সালের ৫ মার্চ সে রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এরপর ১২ মার্চ দেশের সর্বোচ্চ আদালত বিজিএমইএ ভবনটি ৬ মাসের মধ্যে ভাঙার নির্দেশ দেন। তবে ওই ৬ মাস শেষ হওয়ার আগেই ভবন ভাঙতে এক বছরের সময় চেয়ে আবেদন করে বিজিএমইএ।

আরও পড়ুন: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪টি ধারা নিয়ে ১০ দেশের উদ্বেগ

এরপর গত ৮ অক্টোবর আপিল বিভাগ বহুতল ভবনটি ভাঙতে ‘শেষ সুযোগ’ উল্লেখ করে বিজিএমইএ কে সাত মাস সময় দেন।

কিন্তু সাত মাস সময় শেষ হবার আগেই ভবন ভাঙতে আরও এক বছর সময় চেয়ে গত ৫ মার্চ আপিল বিভাগে আবেদন করে বিজিএমইএ। সে আবেদনের শুনানির পর এবিষয়ে আদেশের জন্য ২৭ মার্চ দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে বিজিএমইএ ভবনটি তাদের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছে।

তথ্যসূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন
এআর/১১:০৫/২৭ মার্চ

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে