Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.1/5 (38 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-১০-২০১৮

‘আনিসুজ্জামান শুধু সাহিত্যের নয়, বিবেকেরও বাতিঘর’

‘আনিসুজ্জামান শুধু সাহিত্যের নয়, বিবেকেরও বাতিঘর’

ঢাকা, ১০ মার্চ- নিজের ৮১তম জন্মদিনে দেশের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ, শীর্ষ রাজনীতিবিদ আর আমলাদের ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়েছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অবদান তুলে ধরে বক্তারা বললেন, তিনি সাহিত্যের বাতিঘর, বাংলাদেশের শিক্ষক, জ্ঞানের মহীরুহ।

এ সময় তাকে অবিলম্বে জাতীয় অধ্যাপক ঘোষণার দাবিও তুললেন অনেকে।

তবে ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে শনিবার জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্য সবচেয়ে বড় বিস্ময় এবং বিরল সম্মান নিয়ে তার পাশে বসেছিলেন তার চেয়েও বয়োজ্যেষ্ঠ একজন।

তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার কাছে আনিসুজ্জামান শুধু সাহিত্যের নয়, বিবেকেরও বাতিঘর। আর এই পরিচয়টাই মুহিতের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় মিনিট তিনেকের বক্তৃতা শেষ করে হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ালেন অর্থমন্ত্রী। অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ৮১তম জন্মদিন উপলক্ষে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় বিস্ময় এবং সম্মান সম্ভবত অপেক্ষা করছিল তখনই।

মুহিত বললেন, ‘আনিস আমার স্নেহাস্পদ। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই তাকে আমি ভালোবাসা দিয়ে আদর করবো। কিন্তু না। আমি তাকে তার চেয়ে বেশি কিছু দিয়ে আদর করবো। আমি তাকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবো। সে এখানে আমার শিক্ষক।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আনিসের যে অবদান সেটা আমাদের সকলের মনে রাখা দরকার। সাহিত্যের বাতিঘর এটা তো সকলেই বলছেন। কিন্তু তার বাইরে সে শুধু সাহিত্যের নয়, বিবেকেরও বাতিঘর সে। এই বিবেকের বাতিঘরই আমার কাছে বেশি উল্লেখযোগ্য, বেশি মূল্যবান।

সংবর্ধনা দেওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘আমি নিজেকে মূলত শিক্ষক মনে করি। শিক্ষকতায় আমি যে আনন্দ পেয়েছি এবং যে মর্যাদা পেয়েছি সেটা আমার জীবনকে পরিপূর্ণ করে তুলেছে। আমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সকলের আনুকূল্য ছাড়া আমি এখানে পৌঁছাতে পারতাম না।’

সবার দোয়া চেয়ে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এ কথাও বলতে পারি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি বাড়তি আয়ু পেয়েছি। এই বাড়তি সময়টা যেন আমি ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারি, আপনারা সেই প্রার্থনা করবেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সময়টা পার করে এসেছি সে সময়টা আমাদের দেশের ইতিহাসের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মাঝে মাঝে সামান্য ভূমিকা পালন করার যে বিরল সুযোগ আমি পেয়েছি, সেটা আমার সৌভাগ্য। আপনারা সেটা মনে করছেন, তার জন্য আপনাদের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের অবদান তুলে ধরে এবং তাকে জাতীয় অধ্যাপক ঘোষণার দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুসসহ আরও অনেকে।

বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক এবং বিক্রেতা সমিতির আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কথাসাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন

আর/১০:১৪/১০ মার্চ

সাহিত্য সংবাদ

আরও সাহিত্য সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে