Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (60 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ১২-১৯-২০১৭

ইবিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে পেটালো ছাত্রলীগ

ইবিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে পেটালো ছাত্রলীগ

ঝিনাইদহ, ১৯ ডিসেম্বর- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারধোর করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা। ওই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম সোহেল রানা। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ঝিনাইদহ জেলার কোট চাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের ছেলে।

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হলের ৩৩৫ নং রুমে ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন গ্রুপের ৭-৮ জন কর্মী তাকে ডেকে নিয়ে মারধোর করে বলে অভিযোগ করেছে ওই শিক্ষার্থী।

সোহেল রানা জানায়, সোমবার রাতে লালন শাহ হলে আমার রুমে (২৩০ নং) বসে পড়তে ছিলাম। রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ হলের ৩৩৫ নং রুমে মিটিং আছে বলে সেখানে আমাকে আসতে বলে। আমি আমার দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার কথা বললেও জরুরী মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানান সে। আমি রাত ১০ টার দিকে ৩৩৫ নং রুমে যাওয়ার পর সভাপতি গ্রুপের কর্মী সালাহউদ্দিন আহমেদ সজলসহ কয়েকজন আমাকে বলে, তুই সভাপতি শাহিন ভাই ও সজলকে গালাগালি করেছিস। এ কথা কে বলেছে? আমি জানতে চাইলে সজলের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে শিহাব, আইসিই বিভাগের ১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মিঠু কবির, আইসিই বিভাগের রুবেল হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজুর রহমান শিপনসহ ৭-৮ জন আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আমি রুমের মেঝেতে পড়ে গেলে তারা মারধোর বন্ধ করে এবং রাতের মধ্যে হল থেকে বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।

আরও পড়ুন: মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে আবারও পৃথক তিন মামলা

পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি। এসময় ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন পাশের রুম ৩৩৬ নং এ অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে সোহেল রানা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় মিঠু কবির এবং রুবেল হোসেনকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই অপরাধে মিঠু কবিরকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া সোহেল রানাকে মারধোরের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে হলের সাধারন শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, ‘তাকে মারধোর করা হয়নি। তবে সে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় ক্ষুদ্ধ কর্মীরা তাকে হল থেকে চলে যেতে বলেছে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমি কোন অভিযোগ পায়নি। পরে স্বপ্রণোদিতভাবে আমি ওই শিক্ষার্থীর নম্বর সংগ্রহ করে তাকে ফোন দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষকের নিকট খোঁজ নিয়েছি। হল কর্র্তৃপক্ষ আমাকে জানিয়েছে কোন সমস্যা হয়নি।’

তথ্যসূত্র: বিডি২৪লাইভ
এআর/২৩:২৫/১৯ ডিসেম্বর

ঝিনাইদহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে