Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ১০-১০-২০১৭

ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় তুফান সরকারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল 

ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় তুফান সরকারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল 

বগুড়া, ১০ অক্টোবর-  বগুড়ায় কলেজে ভর্তির আশ্বাস দিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং পরে মাসহ তাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক তুফান সরকারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।

যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে তাঁরা হচ্ছেন বহিষ্কৃত বগুড়া শহর শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার, তাঁর স্ত্রী আশা খাতুন, স্ত্রীর বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ৪, ৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি, শাশুড়ি রুমি খাতুন, শ্বশুর জামিলুর রহমান রুনু, তুফান বাহিনীর সদস্য আতিক, মুন্না, আলী আজম দিপু, রূপম, শিমুল, জিতু, নরসুন্দর জীবন রবিদাস ও কাজের মেয়ে আঞ্জুয়ারা। 

মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জেলার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তুফান সরকারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ধর্ষণ ও মা-মেয়ে নির্যাতনের ঘটনায় ১৩ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। 

এঁদের মধ্যে শিমুল পলাতক রয়েছেন। বাকি সব আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। নরসুন্দর জীবন ও তুফানের শ্বশুর রুনু ও আঞ্জুয়ারা এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন না। তদন্তে তাঁদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাঁদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে। 
আসামিদের মধ্যে তুফান সরকার বগুড়া কারাগারে মাদকসেবন করায় তাঁকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের হাইসিকিউরিটি সেলে পাঠানো হয়েছে। তাঁর শ্বশুর জামিলুর রহমান একটি মামলায় জামিন পেলেও অপরটিতে জামিন পাননি। 

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান আসামি তুফানের সহযোগী আতিক ও দিপু এবং নরসুন্দর জীবন আদালতে মা ও মেয়েকে ন্যাড়া এবং নির্যাতনের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তা তুফান, আশা, রুমকি ও রুমি বেগমসহ অন্যদের কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়েও স্বীকারোক্তি আদায় করতে পারেননি। ভিকটিম ছাত্রীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। 

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘটনার শিকার শিক্ষার্থীকে নাবালিকা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে মোট ১৬ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে। আলামত হিসেবে তুফানের প্রাইভেট কার, দুটি ক্ষুর, দুটি কাঁচি, ভিকটিমদের স্বাক্ষর নেওয়া কাউন্সিলর রুমকির পৌরসভার প্যাডের পাতা, নির্যাতনের এসএস পাইপ, মা ও মেয়ের কেটে ফেলা চুল জব্দ করেছে পুলিশ। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুটি মামলায় তুফান সরকারসহ ১৩ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যাদের সবার বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। পলাতক আসামি শিমুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

২৯ জুলাই তুফানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর মা। বর্তমানে নির্যাতিত মা-মেয়ে আদালতের নির্দেশে রাজশাহীর সেফহোম এবং ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে আছেন।

তথ্যসূত্র: এনটিভি অনলাইন
এআর/২০:০৫/১০ অক্টোবর

বগুড়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে