Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৯-১২-২০১৭

১৬ বছরেও বিচার হয়নি ৯/১১ হামলার

১৬ বছরেও বিচার হয়নি ৯/১১ হামলার

নিউ ইয়র্ক, ১২ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ১৬ বছর আজ। কিন্তু এত বছর পার হয়ে গেলেও আজও বিচার হয়নি সেই ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার। আজ পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। তবে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করে রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা আইনজীবী আল জাজিরাকে বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ১৬ বছর ধরে ওই ঘটনার মূল হোতা ও তার সহকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো এখনো চলছে। খালিদ শেখ মোহাম্মদ বা ‘কেএসএম’ নামের এক ব্যক্তিকে ৯ / ১১ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে সন্দেহ করা হয়। তিনি ও তাঁর চার সহকর্মীকে একটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, তবে তা এখনো সামরিক কমিশনের প্রাক-বিচার পর্যায়ে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে কাজ করা আইনজীবীদের আইনি সংগঠনের সদস্য শায়ান কাদিদাল, যিনি ৯ / ১১ এর অনেক মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তিনি আল জাজিরাকে বলেন, সরকারের দেওয়া তথ্যমতে,৯ / ১১ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন একজন। অন্যরা তাঁর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হামলার বিষয়টি কার্যকর করেন। তাঁরা ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিচার ছাড়াই আটক রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে এই বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ আছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার জন্য চারটি যাত্রীবাহী জেট বিমান ছিনতাইয়ের পরিকল্পনার প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে উল্লেখ করে, আগস্ট মাসে এক শুনানি শেষে কৌঁসুলিরা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে মামলার কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন। ডিএনএ বিশেষজ্ঞরা ৯ / ১১ হামলায় নিহত ব্যক্তিদের যে নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন, ১৬ বছর ধরে তা সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

১১৭ বর্গ কিলোমিটারের মার্কিন ঘাঁটিতে তাঁদের বিচার হবে। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে ও যুদ্ধের আইন লঙ্ঘন করে প্রায় ৩ হাজার মানুষকে হত্যার দায়ে বিচারের এসব অপরাধীকে মুখোমুখি করা হবে। সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত জুরি বোর্ডে দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তারা ২০১২ সালে কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু মামলাটি এখনো প্রাক-বিচার পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিরক্ষা আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা সিআইএ হেফাজতে নির্যাতন ও চিকিত্সার নির্দিষ্ট প্রমাণপত্র দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের বিখ্যাত টুইন টাওয়ারে আছড়ে পড়েছিল দুটি বিমান। মুহূর্তেই ধসে পড়ে সুউচ্চ টাওয়ার দুটি। এতে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। আহত হন কয়েক হাজার মানুষ। ওই হামলার পর থেকে নিউইয়র্কের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তখন থেকে শহরের নিজস্ব সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট আছে।

এ ছাড়া ৩৮ হাজার পুলিশ সদস্য এবং পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা নেটওয়ার্ক দিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থার দেখভাল করা হয়। এত নিরাপত্তা উদ্যোগের পরও আতঙ্ক কমছে না। ২০১০ সালে বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি পাওয়া যায় সড়কে। গত মে মাসে মানসিকভাবে অসুস্থ সাবেক এক সেনাসদস্য পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দেন। এতে আহত হয় ২৩ জন এবং ১ পর্যটক নিহত হন। সূত্র: আল জাজিরা

আর/১২:১৪/১২ সেপ্টেম্বর

উত্তর আমেরিকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে