Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১৭-২০১৭

গরু কিনলে ছাগল ফ্রি!

গরু কিনলে ছাগল ফ্রি!

যশোর, ১৭ আগস্ট- একটা কিনলে একটা ফ্রি। ঈদ, পূজা কিংবা নতুন বছরে এমন চটকদার অফার দেশে নতুন কিছু নয়। তবে গরু কিনলে ছাগল ফ্রি দেওয়ার ঘটনা ব্যতিক্রমই বটে। আর ক্রেতাদের আকর্ষণ করে ব্যতিক্রমী এ কাজটি করেছেন যশোরের এক গরু বিক্রতা। তিনি গরু কিনলে ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে এমন পোস্টার করে বিভিন্ন হাট-বাজারে টাঙ্গিংয়ে দিয়েছেন। এর ফলে প্রতিনিয়ত আকর্ষণীয় সেই গরু দেখতে আসছেন বিভিন্ন এলাকার ক্রেতা।

গরুর মালিক যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খর্দ্দবনগ্রামের হাজী মোজাহার বিশ্বাসের ছেলে আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, পোস্টার সাটানোর পর গরুটির দাম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। আর ৫ লাখ টাকা হলে তিনি বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জনাব আলতাফ জানিয়েছেন, প্রায় তিন বছর আগে ৬০ হাজার টাকায় এঁড়ে (পুরুষ) বাছুরসহ গাভী কিনেছিলেন। সেই বাছুরটি লালন পালন করে দুই বছরে মোটামুটি বড় করেন। এরপর বিক্রির উপযোগী করতে শুরু করেন মোটাতাজাকরণের কাজ। আট-নয় মাস ধরে লালন-পালন করে বর্তমানে গরুটির ওজন প্রায় ২০ মণ করেছেন। আসন্ন কুরবানিতে ৫ লাখ টাকায় গরুটি বিক্রির টার্গেট করছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, এই গরুর ক্রেতাকে একটি ছাগল ফ্রি দেওয়া হবে। এজন্য তিনি রঙিন পোস্টারও ছেপেছেন। গ্রামগঞ্জে সেই পোস্টার শোভা পাচ্ছে।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনায় টিনশেডের আধাপাকা গোয়ালঘরে রাখা হয়েছে সেই বিশাল গরু। শেকল ও দড়িতে বাঁধা লালচে কালো রঙের গরুর মাথার ওপর ফ্যান ঘুরছে। এভাবেই গোয়াল ঘরে রাখা হয়। দুই-একজনে গরুরটি গোয়াল ঘরের বাইরে বের করতে পারে না। গোয়ালের বাইরে আনতে ৭/৮ জন লোক ছাড়া সম্ভব হয় না। এজন্য গোয়ালেই রাখা হয়। সেখানে খাবার, গোসল সবই হয়। গরম বেশি পড়লে দিনে ৪/৫ বার গোসল করাতে হয় গরুর। আর গোয়ালের মধ্যে কার্পেট পেতে দেওয়া আছে জানালেন গরুর মালিক আলতাফ হোসেন।

আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মমতাজ বেগমের জানালেন, ছোট্ট থেকে গরুটি লালন পালন করছি। পরিবারের সবাই মিলেই দেখাশুনা করি। গরুটি বিক্রির টাকায় আবার গরু কিনে লালন পালন করবো। শুধু গরু না, ছাগলও পালন করি। এই গরুর সঙ্গে যে ছাগলটি ফ্রি দেওয়া হবে, সেটিও আমাদের বাড়ির ছাগল।

আলতাফ হোসেন আরো বলেন, প্রায় তিন বছর আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার থেকে ৬০ হাজার টাকায় বাছুরসহ গাভী কিনেছিলাম। প্রতিদিন ৫ কেজি খুদের (ভাঙ্গা চাল) ভাত, সাড়ে ৩ কেজি ভূষি, ১ কেজি খৈল ও বিচালি, ঘাস খাওয়ানো হয়। এছাড়াও মৌসুমী ফল কাঁঠালসহ বিভিন্ন রকমের ফল খাওয়ানো হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৫’শ টাকা খরচ হয়। 

এমএ/ ০৬:২৫/ ১৭ আগস্ট

যশোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে