Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১৬-২০১৭

হাওরের বাঁধে দুর্নীতি: সুনামগঞ্জের যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

হাওরের বাঁধে দুর্নীতি: সুনামগঞ্জের যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জ, ১৬ আগষ্ট- হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে করা মামলায় এক ঠিকাদারকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

গ্রেপ্তার খাইরুল হুদা চপল সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক। জেলা শহরের স্টেশন রোডে মেসার্স নূর ট্রেডিং নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, “ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় মঙ্গলবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।”

রাতের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে চপল বিমানবন্দরে এসেছিলেন বলে তিনি জানান।

প্রণব কুমার জানান, গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে আসামি চপলকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছেন মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ।

এদিকে হাওরের বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতিতে যুবলীগ নেতা চপলের ‘জড়িত থাকার’ নিন্দা জানান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির রিমন।

তিনি বলেন, “কৃষকের রুটি-রুজি নিয়ে যারা রাজনীতি করে, প্রতিপত্তি বানায়, তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। রাজনীতির জন্য এটা কাল অধ্যায়।”

মার্চ-এপ্রিলের আগাম বন্যায় হাওরাঞ্চলে বাঁধ ভেঙে ফসলহানির ঘটনা গণমাধ্যমে উঠে আসার পর বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের তদন্তে নামে দুদক।

এরপর গত ২ জুলাই হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি, অনিয়ম ও কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারসহ মোট ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

ওইদিনই মামলার আসামি সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরখাস্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফছার উদ্দীন ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইব্রাহিম ট্রেডার্স অ্যান্ড শামিম আহসানের স্বত্ত্বাধিকারী মো. বাচ্চু মিয়াকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রতি বছর বন্যা আসার সময় ও আশঙ্কা সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাঁধ নির্মাণের চুক্তি ভেঙেছেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

এতে বলা হয়, চুক্তিতে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের অসমাপ্ত ৮৪টি প্যাকেজের বাঁধ নির্মাণ শেষ করতে ঠিকাদারদের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে আর দরপত্র আহ্বান না করেই আগের ঠিকাদারদের ১৬০টি প্যাকেজে নতুন কাজ দেওয়া হয়।

“নতুন প্যাকেজের মধ্যে নয়টির কাজ শুরু না করে এবং ১৫১টি প্যাকেজের কাজ আংশিক সম্পন্ন করার মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভবিষ্যতে প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন আসামিরা।”

এসব কারণে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ৪০৯, ১৬৬, ৫১১ ও ১০৯ ধারায় এই মামলা করা হয়েছে বলে দুদক উপ পরিচালক প্রণব কুমার জানিয়েছিলেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে ১৫ জন সিলেট বিভাগ ও সুনামগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা। বাকি ৪৬ জন ঠিকাদার।

আর/১৭:১৪/১৬ আগষ্ট

সুনামগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে