Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-০৬-২০১৭

ইন্টার্নিকে ‘জাপটে ধরে’ ফাঁসছেন বড় ডাক্তার!

ইন্টার্নিকে ‘জাপটে ধরে’ ফাঁসছেন বড় ডাক্তার!

যশোর, ০৬ আগস্ট- যশোরের আদ্-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্নি কো-অর্ডিনেটর ও সহকারী অধ্যাপক রিচমন্ড রোলান্ড গোমেজের বিরুদ্ধে ইন্টার্নি চিকিৎসকের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গত ৩ আগস্ট চেম্বারে ডেকে নিয়ে তিনি এক ইন্টার্নি চিকিৎসককে যৌন হয়রানি করেন।

রোববার যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এমন অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট (শনিবার) কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে ওসি আজমল হুদা জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ডা. শারমিন সুলতানা দাবি করেন, ইন্টার্নি কো-অর্ডিনেটর সহকারী অধ্যাপক রিচমন্ড রোলান্ড গোমেজ অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। সেটি আমি মেনে নিতে পারিনি।  শিক্ষকদের হাতে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকায় আমাকে ভয় দেখানো হতো। তার মন জুগিয়ে না চললে ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। আমরা প্রথম ব্যাচে এই কলেজ থেকে ২৬ জন পাস করেছি। 

গত ২৫ এপ্রিল ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে যোগদান করতে গেলে যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়নি। এরপর ২৭ এপ্রিলও যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয়নি। পরে পিতামাতা ও অভিভাবকরা ওই শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর গত ৮ মে আমাকে যোগ দিতে দেওয়া হয়। তখন থেকে আমার নির্যাতন শুরু হয়। আমাকে ১৪দিনের জন্য ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্লিনিক্যাল ইন্টার্নিতে পাঠানো হয়। আবহাওয়া ও শরীর অসুস্থ থাকায় দুইদিন কর্মস্থলে হাজির থাকতে পারিনি।  তবে স্বাক্ষরের স্থান খালি থাকায় ওই অনুপস্থিত দুইদিন স্বাক্ষর করি। 

অনুপস্থিতির বিষয়ে গত ৩ আগস্ট দুপুরে আমাকে স্যারের রুমে ডাকা হয়। সেখানে ডেকে নিয়ে ওই শিক্ষক কুপ্রস্তাব দেয়। আমি রাজি না হওয়ায় শিক্ষক আমাকে জাপটে ধরে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। তার নির্যাতনে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। খবর পেয়ে আমার বাবা মা সেখানে হাজির হয়। এ ঘটনার বিষয়ে শিক্ষকের কাছে আমার বাবা মা জানতে চান। এসময় ওই শিক্ষক গার্ডদের দিয়ে আমার বাবা মাকে লাঞ্ছিত করে। আমার বাবা মায়ের জামা কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়। বাবাকে পরের দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শারমিন সুলতানা বলেন, অনেক টাকা খরচ করে এমবিবিএস পাস করেছি। ইন্টার্নি করতে গিয়ে শিক্ষকের রোষানলে পড়েছি। আমি কোর্স সম্পন্ন করতে চাই। আমার প্রতি যেন অবিচার না করা হয়, সেই দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শারমিন সুলতানার বাবা আলাউদ্দিন, স্বামী খন্দকার মুজাহিদুল ইমাম উপস্থিত ছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক দেশের বাইরে ইন্দোনেশিয়ায় থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে আদ-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. খান শাকিল আহমেদ বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ সঠিক নয়। যদি ওই শিক্ষক জিম্মি করে যৌন হয়রানি করে থাকেন তাহলে এতদিন কেন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ করলে তো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতাম।

যশোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে