logo

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি-কাসিচকে পছন্দ নিউইয়র্ক টাইমসের

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি-কাসিচকে পছন্দ নিউইয়র্ক টাইমসের

ওয়াশিংটন, ৩১ জানুয়ারি- বরাবরের মতো যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রার্থীদের ব্যাপারে মতামত দিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস। তারা ডেমোক্রেট প্রার্থীদের মধ্যে হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে জন কাসিচকে সমর্থন করেছে।

দৈনিকটির মতে, আধুনিক ইতিহাসের ‘অন্যতম উদার ও দারুণ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী’ হিলারি। আর রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে ‘একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থী’র জায়গা রয়েছে কাসিচের।

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) এক সম্পাদকীয়তে নিউইয়র্ক টাইমস কর্তৃপক্ষ দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের প্রার্থীর ব্যাপারে এ মতামত দেয়।

নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি)। আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা তাদের মতামত দিয়ে প্রার্থী নির্বাচনের ব্যাপারে ডেমোক্রেট-রিপাবলিকানসহ অন্যদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

প্রার্থী হিসেবে হিলারিকে নিউইয়র্ক টাইমসের পছন্দের বিষয়টি চমকে দেওয়ার নয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনেই তারা সেসময়ের প্রার্থী (বর্তমান প্রেসিডেন্ট) বারাক ওবামার চেয়ে হিলারিকেই ব্যক্তিত্ববান বলে এগিয়ে রেখেছিল। যদিও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়তে হয় তাকে।

নিউইয়র্ক টাইমস তাদের সম্পাদকীয়তে জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে রিপাবলিকান দলে হিলারির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন বার্নি সেন্ডার্স। কিন্তু হিলারির যে অভিজ্ঞতা ও নীতি-নির্ধারণী ক্ষমতা আছে, তা সেন্ডার্সের নেই।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান মাঠ পর্যবেক্ষণ করে নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ওই পাশে শীর্ষ দুই প্রার্থীই নিন্দিত।

দৈনিকটির মতে, রিপাবলিকানদের মধ্যে আলোচিত সম্ভাব্য প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের বিষয়ে না কোনো অভিজ্ঞতা আছে, না এ নিয়ে তার কোনো আগ্রহ আছে। আর জিততে হলে যেকোনো কিছুই বলতে পারবেন টেড ক্রুজ।

এ দু’জনকে অনেকটা শূলে চড়ালেও নিউইয়র্ক টাইমস রিপাবলিকান সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দ্ব্যর্থহীনতা দেখিয়েছে অহিও গভর্নর জন কাসিচের ক্ষেত্রে। তাদের মতে, ‘গোঁড়া ও অনভিজ্ঞ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী দৌঁড়ে একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থী আছেন কাসিচই।’

এদিকে, নিউইয়র্ক টাইমসের এই মতামতে ডেমোক্রেটদের কারও মন্তব্য পাওয়া না গেলেও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কাসিচ। তিনি বলেছেন, নিউইয়র্ক টাইমসের সমর্থন পাওয়ায় আমি গর্বিত।