logo

বর্তমানে ৭২৯টি পণ্য ১৯২টি দেশে রফতানি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমানে ৭২৯টি পণ্য ১৯২টি দেশে রফতানি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৩১ জানুয়ারি- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে দেশের রফতানি আয় ছিল ১০ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে ৩২ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। রিজার্ভ পৌঁছেছে ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ওপরে। বর্তমানে ৭২৯টি পণ্য ১৯২টি দেশে রফতানি হচ্ছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। আমরা গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটাতে চাই। এতে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে। ফলে দেশের ভেতরে বাজার সৃষ্টি হবে। এটা অর্থনীতির সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে দেশের প্রথম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আজ সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন, থ্রিজি চালু হয়েছে। শীঘ্রই ফোর-জি চালু হবে। গ্রামে বসে সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে মানুষ। ভারত-ভুটান-নেপালের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে। ৫ হাজার ২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ২০০ ধরনের সেবা দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার দেশের সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সার্বিক অর্থনীতির উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এরপর প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও চট্টগ্রাম চেম্বারের শতবর্ষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু বাঙালি জাতি যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে। আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন বিশ্ব অর্থনীতি ছিল মন্দা। সবাই বলেছিল রফতানি বাণিজ্য কমবে। আমি বলেছিলাম কমবে না। বিরোধীদলের জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচির মধ্যেও আমাদের রফতানি বেড়েছে।

তিনি বলেন, পদ্মাসেতু ছিল আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছি। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন বাজার সৃষ্টি করতে সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।