logo

খালেদার আগে তাজউদ্দীনের নামে মামলা করা উচিত: নজরুল

খালেদার আগে তাজউদ্দীনের নামে মামলা করা উচিত: নজরুল

ঢাকা, ৩০ জানুয়ারী- বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আগে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের নামে মামলা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।       

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা তুলে নেয়ার দাবিতে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ, এম আর আক্তার মুকুলসহ অনেক বুদ্ধিজীবী অনেক সময়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা একেক রকম উল্লেখ্য করেছেন। খালেদা জিয়া তো কোনো সংখ্যা উল্লেখ্য করেন নাই। তাহলে তো খালেদা জিয়ার আগে তাদের নামে মামলা করা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেখ মুজিব তো যুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার জন্য কমিটি গঠন করেছিলেন। এমনকি প্রতি পরিবারকে দুই হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তারপরও ১ লাখ ২০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের নাম পাওয়া গিয়েছিল।’  

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় তার সাজা হবে না। তারপরও সরকার অপচেষ্টা করছেন। এ সরকার মামলাবাজ সরকার। যত অত্যাচার করুন না কেন জনগণের বিচার হলো শেষ বিচার। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা এদেশের জনগণ মেনে নিবে না। জনগণ জেগে উঠলে এ সরকারের পতন অনিবার্য।’

তিনি বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। তাই একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের উদ্দেশ্য খালেদা জিয়াকে রাজনীতি করতে দিবে না। তিনি গণতন্ত্রের রক্ষাকারী এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা মেনে নেয়া যায় না।’

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এ সরকার হামলা-মামলা বাজ, দুর্নীতি ও গণতন্ত্র হত্যাকারী সরকার। খালেদা জিয়ার বক্তব্যে রাষ্ট্রদ্রোহিতার কোনো লেশ মাত্র নেই। অনেক বড় বড় আইনজীবীরাও বলেছেন খালেদা জিয়ার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহ হয় নাই। তারপরও সরকার এ মামলার অনুমোদন দিয়েছে। শুধু মাত্র জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।’

নগর জাগপার সভাপতি আসাদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।