logo

গ্রীস হয়েই অভিবাসীরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যদেশে

গ্রীস হয়েই অভিবাসীরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যদেশে

এথেন্স, ২৭ জানুয়ারি- গত প্রায় দেড় বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা থেকে যে লাখ লাখ অভিবাসী ইউরোপে ঢুকছে তার ৮০ শতাংশেরই প্রথম ঠিকানা হচ্ছে গ্রীস। পরে সেখান থেকে তারা বিনা বাঁধায় সীমান্ত পেরিয়ে অন্যান্য দেশে ঢুকছে। এ নিয়ে নিয়ে  গ্রীসের প্রতিবেশীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।

তাদের বক্তব্য ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ভিসা ছাড়া চলাচলের জন্য যে চুক্তি, সেই শেঙ্গেন চুক্তির অধীনে ইউরোপের বাইরের সীমানা রক্ষার দায়িত্ব গ্রীসেরও। এখন ইউরোপীয় কমিশনও বলছে, শরণার্থী সংকটের সময় এই দায়িত্ব পালনে গ্রীস চরম অবহেলা দেখিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিদর্শকরা দেখেছেন, নতুন আসা লোকজনের নাম রেজিস্ট্রেশন করা, তাদের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া এবং তাদের কাগজপত্র যাচাই করা, এর কোন কিছুই ঠিক মত করেনি গ্রীস।

ইন্টারপোল এবং অন্যান্য পুলিশ ডাটাবেজের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়েও দেখা হয়নি। ইউরোপীয় কমিশনের এই রিপোর্ট এখন দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য গ্রীসকে তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে।

যদি এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হয়, তখন শেঙ্গেন চুক্তির অধীন দেশগুলো স্ব স্ব দেশের সীমানায় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে। এর মানে অভিবাসীর চাপে ইউরোপের দেশগুলোর নাগরিকরা এখন যেভাবে অবাধে বিভিন্ন দেশে চলাচল করতে পারেন, তার ইতি ঘটতে যাচ্ছে।