logo

বায়ু দূষণ রোধে পদক্ষেপ জানতে চায় হাই কোর্ট

বায়ু দূষণ রোধে পদক্ষেপ জানতে চায় হাই কোর্ট

ঢাকা, ২৫ জানুয়ারী- ঢাকার দুই ভাগ এবং গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশেন এলাকায় বায়ু দূষণ রোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের হাই কোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এই আদেশ দেয়।

বিবাদীদের এ বিষয়ে জানাতে বলে আদালত আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন রেখেছে।

চার সিটিতে বায়ু দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমদ ও মো. মজিবুর রহমান গত ১৭ জানুয়ারি এই রিট আবেদন করেন, যার ওপর সোমবার শুনানি হয়।

আবেদনে বলা হয়, সিটি করপোরেশনের কর্মীরা প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে অনিয়ন্ত্রিতভাবে রাস্তা ঝাড়ু দেয়। এতে বিপুল পরিমাণ ধুলা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও রাস্তার পাশে জড়ো করে রাখা ধুলাবালু ও আবর্জনা যানবাহনের মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়। এসব ধুলা ও আবর্জনা পোড়ানোর ক্ষতিকর ধোঁয়ায় নগরবাসী শ্বাসকষ্টসহ নানান ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

রিটকারীর পক্ষে আদালতে জুলহাস উদ্দিন নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল টাইটাস হিল্লোল রেমা।

চার সিটি এলাকার বায়ু থেকে ধুলা, ধোঁয়া ও প্রাণঘাতী উপাদান অপসারণে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, বন ও পরিবেশ সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি আদালত চার সিটি করপোরেশন এলাকায় বায়ু থেকে ধুলা, ধোঁয়া ও প্রাণঘাতী উপাদান অপসারণে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও জানাতে নির্দেশ দিয়েছে বলে আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের এক পরিসংখ্যানের সূত্র ধরে জনস্বার্থে রিটটি করা হয়।   

বায়ু দূষণের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৫ হাজারেরও বেশি লোক মারা যাচ্ছে, পাশাপাশি ৬৫ লাখ লোক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে ওই পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে।