logo

গত অর্থবছরে পৌনে ৩ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত

গত অর্থবছরে পৌনে ৩ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত

ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি- চাল ও গম মিলিয়ে ২০১৪-১৫ গত অর্থবছরে দেশের চাহিদার তুলনায় বেশি খাদ্য উৎপাদিত হয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় গম উৎপন্ন হয়েছে কম। আজ রোববার জাতীয় সংস​দে প্রশ্নোত্তরপর্বে এ তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্বে ​বিমানের লাভ-লোকসান ও খাসজমি প্রসঙ্গও এসেছে। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকেল পৌনে পাঁচটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।

জাতীয় পার্টির সাংসদ সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, গত অর্থবছরে দেশে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২০০ টন বেশি খাদ্যশস্য উৎ​পাদিত হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে খাদ্যশস্যের চাহিদা ছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ ২০ হাজার টন। এর মধ্যে চালের চাহিদা ছিল ৩ কোটি ১৭ টন ও গম ৪১ লাখ ২০ হাজার টন। এর বিপরীতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৫৮ হাজার টন। এর মধ্যে চাল উৎপাদিত হয়েছে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ১০ হাজার টন ও গম উৎপাদিত হয়েছে ১৩ লাখ ৪৮ হাজার টন।

নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী বলেন, চলতি অর্থবছরে সার খাতে ভর্তুকি বাবদ ১ হাজার ৫২১ কোটি ৩ লাখ ১৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ ও ডিজেল খাতে ভর্তুকির জন্য অর্থছাড়ের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন আছে।

এম আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে সংসদকাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিমানবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য ফোর্সেস গোল ২০৩০ অনুসারে মিডিয়াম রেঞ্জ ফিক্সড উইং ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ট্রেইনার ও মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্রাফটসহ কয়েকটি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিমানের লাভ হয়েছে ২৭২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর আগের পাঁচ বছরে বিমানের লোকসান হয়েছিল ১ হাজার ৪৩৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

সরকারদলীয় সাংসদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান বলেন, দেশে বর্তমানে খাসজমির পরিমাণ ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৪ একর। এর মধ্যে কৃষি খাসজমির পরিমাণ হচ্ছে ২০ লাখ ৭১ হাজার ৮১৫ একর ও অকৃষি খাসজমির পরিমাণ হচ্ছে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ একর। সবচেয়ে বেশি ৭ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৪ দশমিক ৭ একর খাসজমি রয়েছে বান্দরবান জেলায়। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ২ হাজার ৬২ দশমিক ৪৫৬ একর খাসজমি রয়েছে গোপালগঞ্জ জেলায়।