logo

‘মধুসূদন বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়েছেন’

‘মধুসূদন বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়েছেন’

যশোর, ২৪ জানুয়ারী- যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার বলেছেন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের বিচিত্র অঙ্গনের প্রথম স্রষ্টা। তিনিই পথিকৃত। এখানে ছিলো না অমৃতবাসর ছন্দ, ছিলো না সনেট, ছিলো না মহাকাব্য। মধু প্রতিভার জন্য এসব অমূল্য রত্নের সন্ধান পেয়েছি আমরা।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯২তম জন্মজয়ন্তী ও সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার দ্বিতীয় দিনে মধুমঞ্চে ‘বাংলা কবিতায় আধুনিকতা ও মাইকেল মধুসূদন’ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পাশ্চাত্য নাটকের বিশেষত ট্রাজেডি, প্রহসন ও পত্রকাব্য মধুসূদনের সৃজনি প্রতিভার অমর নিদর্শন। মধুসূদন নাট্য জগতেও সফল। সবমিলিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়েছেন।

যশোর ক্যান্টনমেন্টের এক্সিকিউটিভ অফিসার হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন- যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যাণ পত্রিকার সম্পাদক একরাম উদ-দৌলা, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ যশোরের সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম রন্টু, যশোর উপশহর মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. শাহানাজ পারভীন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট যশোরের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খান দুলু, রঘুরামপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক কবি হোসাইন নজরুল।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- যশোর দিবা-নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী সুর, সিপিবি কেশবপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান নান্নু, সম্মিলনি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিয়ার রহমান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের কেশবপুর শাখার সভাপতি মাসুদুর রহমান ও পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল ব্যানার্জী। সভা শেষে মধু মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।