logo

দেশে একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করা হয়েছে

দেশে একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করা হয়েছে

ঢাকা, ২৩ জানুয়ারী- ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করে দেশে পুনরায় একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ঐতিহাসিক গণঅভ্যূত্থান দিবস উপলক্ষে শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমে দেয়া এক বাণীতে এ অভিযোগ করেন তিনি।

বাণীতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘২৪ জানুয়ারি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৬৯ সালের এ দিনে তদানীন্তণ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। গণআন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে পরিণত হয়েছিল গণঅভ্যূত্থানে। পতন নিশ্চিত হয়েছিল স্বৈরশাসকের। আর এরই ধারাবাহিকতায় উন্মুক্ত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পথ। গণঅভ্যূত্থানের মূল মানস বা মেজাজ ছিল স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন, বহুদলীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম, বহুমত ও চিন্তার চর্চা ও মানুষের হারানো অধিকার ফিরে পাওয়া।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় জীবনে ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের তাৎপর্য অপরিসীম। এ দিবস আমাদেরকে গণতন্ত্র ও স্বাধিকার অর্জনের চেতনাকে শাণিত করে এবং সকল অন্যায়-অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে আজও অনুপ্রেরণা জোগায়। কারণ, এখন আবারো একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাক-ব্যক্তি ও চিন্তার স্বাধীনতা এখন গুম করে ফেলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ভোট দিয়ে নিজের পছন্দমতো প্রতিনিধি বাছাই করার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।’

বিএনপি প্রধান বলেন, ‘আজকের এ মহান দিনে আমি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং মানুষের মৌলিক ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দেশবাসী সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।’

বাণীতে ঊনসত্তরের গণআন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন খালেদা জিয়া।