logo

রাজনৈতিক প্রচারণায় বেকার মরিনহো

রাজনৈতিক প্রচারণায় বেকার মরিনহো

হোসে মরিনহো কখন কী করেন তা কে বলতে পারে! কখন কী বলেন সেটি তো নিজেও সম্ভবত আগে অনুমান করতে পারেন না। ভালোবাসার ক্লাব চেলসির কোচের পদ থেকে বিদায় নিয়েছেন এক মাস হয়ে গেল। এরপর থেকেই ক্লাবহীন মরিনহো।

ফুটবল থেকে দূরে আছেন, তবে আলোচনা থেকে কখনোই দূরে থাকার পাত্র নন। এবারও যেমন আলোচনায় এলেন একটা ভিডিওচিত্র দিয়ে। না, কোনো কোচিংয়ের পরামর্শ জাতীয় ভিডিও নয় এটি। পর্তুগিজ কোচ ভিডিওচিত্রটি বানিয়েছেন রীতিমতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। আগামী রোববার হতে যাওয়া পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী মার্সেলো রেবেলো দে সোসার প্রতি সমর্থন জানিয়ে মরিনহোর এই ভিডিওবার্তা। ফুটবল-বিহীন সময়টা দেশ ও রাজনীতির কল্যাণেই কাজে লাগাচ্ছেন মরিনহো।

নিজে স্বঘোষিত ‘স্পেশাল ওয়ান’। মরিনহোর সমর্থন যে স্পেশাল কেউই পাবেন তা তো ধরেই নেওয়া যায়। ভিডিওটিতে মার্সেলোকে ‘ক্যারিশমাটিক’ জানিয়ে মরিনহো বলেছেন, ‘এই প্রথম কোনো প্রার্থীকে সবার সামনে সমর্থন জানাচ্ছি। কারণ আমি মনে করি পর্তুগালের উচিত সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি দরকার এটি।’

কোচ হিসেবে নিজে সবচেয়ে সফলদের একজন। ফুটবল মাঠে জয়ের মন্ত্রটা ভালোই জানা তাঁর। এখন রাজনীতির মঞ্চেও জয়ের উপায়টা বলে দিলেন এই ৫২ বছর বয়সী কোচ, ‘আমাদের একজন প্রেসিডেন্ট দরকার, যিনি সব সময় জিততে চান। তবে শুধু জিতলেই হবে না, আমাদের ক্যারিশমাও দরকার। সাফল্য ও ক্যারিশমার সমন্বয়ই এখন দরকার পর্তুগালের। তাই আমি কোনো সংকোচ না রেখেই সবার সামনে বলছি, আমি মার্সেলোকে ভোট দিচ্ছি; কারণ আমার বিশ্বাস, সে-ই আমাদের জন্য সঠিক লোক।’

তবে মরিনহোর সমর্থনেই হোক, অথবা নিজের যোগ্যতায়, নির্বাচনের আগে সকল জরিপেই বর্তমান প্রেসিডেন্ট অ্যানিবাল কাভাকো সিলভার চেয়ে এগিয়ে আছেন মার্সেলো।

দেখা যাক, যদি মার্সেলো জিতে যান, আর মরিনহো তখনো বেকার থাকেন (যেটির সম্ভাবনা একেবারেই নেই বললে চলে), তাহলে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও চেলসি কোচকে ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে’র দায়িত্বটা দিয়ে দিতেই পারেন মার্সেলো। আর যা-ই হোক, রক্ষণের কৌশলে মরিনহোকে হার মানানো কঠিন। সূত্র: গার্ডিয়ান।