logo

শক্তি ‘সঞ্চয়ে’ দৃষ্টি খালেদ মাহমুদের

শান্ত মাহমুদ


শক্তি ‘সঞ্চয়ে’ দৃষ্টি খালেদ মাহমুদের

খুলনা, ২২ জানুয়ারি- সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচে দেখা গেল পাঁচ পরিবর্তন। ফলটা পক্ষে আসেনি। চার অভিষিক্তের মতো অনুজ্জ্বল থাকে বাংলাদেশ দলও। হারতে হয়েছে ৩১ রানে। প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে বলে এক হারেই অনেক প্রশ্নের মুখে বাংলাদেশ দল।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা কি বেশি হয়ে গেল এই ম্যাচে? কিংবা চারজনকে একসাথে অভিষেক? এখানেই শেষ নয়, নতুন সুযোগ ক্রিকেটারদের সামর্থ্য নিয়েও তোলা হচ্ছে প্রশ্ন। যদিও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা এভাবে দেখছেন না। একইভাবে ভাবছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। তার মতে যোগ্যদেরই দলে নেয়া হয়েছে।

দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক বলছেন, ‘যদি কোনো কারণে কেউ ইনজুরিতে পড়ে তাহলে তার পরিবর্তে কাউকে প্রস্তুত করতে হবে। সব চিন্তা করেই এগুলো আসছে। এটা মনে রাখতে হবে সবাই জাতীয় দলে খেলার মত যোগ্য ক্রিকেটার। তারা যোগ্য বলেই আজ জাতীয় দলে খেলছে।’

একইসঙ্গে ভবিষ্যতের কথাও মাথায় রাখছেন খালেদ মাহমুদ। ভাবনায় আছে এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। অনেক কিছু বিবেচনায় দ্বিতীয় শক্তির বোলারদের প্রস্তুত রাখার পক্ষে তিনি। ব্যাপারটা অনেকটা শক্তি সঞ্চয় করে রাখার মতোই। যেন চাইলেই পাওয়া যায়।

এ নিয়ে তিনি বলছেন, ‘বাংলাদেশকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিতেই হয় তাহলে সেকেন্ড স্ট্রেন্থ বোলারদের তৈরী করতে হবে। একটা না একটা সময় তাদের অভিষেক হতই। গত অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে আল-আমিনের পরিবর্তে শফিউল গিয়েছিল। বিজয়ের পরিবর্তে ইমরুল। তারা কিন্তু প্রস্তুত ছিল না। অনুশীলন ছিল না তাদের। আমরা চাচ্ছি ১৯-২০ জনের একটা পুল প্রস্তুত থাকে। আমাদের বিশ্বকাপে টানা ম্যাচ ও এশিয়া কাপে পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে।’

তৃতীয় ম্যাচে পাঁচ পরিবর্তন ছিল। শেষ ম্যাচে কেমন হবে? তবে এ বিষয়ে কিছু জানালেন না তিনি, ‘এটা নিয়ে আমি কোনো কিছু বলতে পারছি না। আমি টেকনিক্যাল কোনো কিছু বলতে পারি না। দল বানায় কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচক। কে হলে ভালো হবে, কোনো পরিবর্তন আসবে কি না তারা চিন্তা করবে।’