logo

ভূগর্ভস্থ জলে লোহা মাত্রা ছাড়ালো

ভূগর্ভস্থ জলে লোহা মাত্রা ছাড়ালো

আগরতলা, ২১ জানুয়ারি- রাজ্যে ভূগর্ভস্থ জলে লোহার পরিমাণ নির্দিষ্ট মাত্রার অনেক বেশি থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা সেন্ট্রাল গ্রাউন্ড ওয়াটার বোর্ড আয়োজিত স্কুল পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাজ্য পানীয় জল সরবরাহ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য বাস্তুকার সঞ্চয়িতা দাস, সেন্ট্রাল গ্রাউন্ড ওয়াটার বোর্ডের বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ এস এম হোসেন। সঞ্চয়িতা বলেন, ত্রিপুরার জলে প্রচুর পরিমাণে লোহা রয়েছে। যার উপস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়। ফিল্টার করেও পুরোমাত্রায় লোহামুক্ত করা সম্ভব নয়।

এর বিকল্প হিসেবে বাড়িঘরেও বৃষ্টির জল ধরে রেখে তা ফুটিয়ে খাওয়া এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ওপর জোর দেন তাঁরা। বৃষ্টির জল অত্যন্ত নিরাপদ ও স্বচ্ছ বলে তাঁরা অভিমত দেন। রিং কুয়োর জলও তুলনায় ভাল বলে অভিমত তাঁদের। তাঁরা বলেন, ত্রিপুরায় কদমতলা (উত্তর জেলা) জিরানিয়া (পশ্চিম জেলা) এবং কৈলাসহরে (ঊনকোটি জেলা)–র কিছু কিছু স্থানে জলে আর্সেনিক মিলেছে, তবে তার উপস্থিতি উদ্বেগজনক নয় বলে জানান তাঁরা। এদিন স্কুলপর্যায়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় যারা পুরস্কৃত হয়েছে তারা হল— প্রথম স্থানে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের বিদিপ্তা দেব, দ্বিতীয় ডন বসকোর উজ্জয়ন পাল এবং তৃতীয় স্থানে শ্রীকৃষ্ণ মিশনের তৃষিতা ভৌমিক।

পুরস্কার হিসেবে মানপত্র ছাড়াও নগদ ৫ হাজার, ৩ হাজার ও ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীকে। এছাড়া ১০ জনকে সান্ত্বনা পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এবার অর্ধেকে নামিয়ে আনায় ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন অনেকে। তাছাড়া অন্যান্য বার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীরা দিল্লিতে জাতীয় স্তরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেত। মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি যাওয়া–আসার খরচ দিত কেন্দ্রীয় সম্পদ মন্ত্রক থেকে। এবার শুধু প্রথম স্থানাধিকারী বিদিপ্তা দেবই এই সুযোগ পাচ্ছে। বি জে পি–র উমাভারতী এই মন্ত্রকের দায়িত্ব পাওয়ার পর এই সুযোগ সীমিত করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।