logo

‘জেএমবি ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠনের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে’

‘জেএমবি ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠনের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে’

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি- নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি'র সঙ্গে মিয়ানমার ভিত্তিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে চট্টগ্রাম পুলিশ। তাদের দাবি স্বাধীন আরাকান রাজ্য প্রতিষ্ঠার নামে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র সংগ্রহ করেছে জেএমবি।

বুধবার সময় টিভি'র এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামে জেএমবির আস্তানা থেকে উদ্ধারকৃত তিনটি অস্ত্রের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে এসব তথ্য পায় গোয়েন্দারা।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জেএমবি সদস্যরা বান্দরবানে আরাকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) কাছ থেকে তিনটি অস্ত্র সংগ্রহের পর চট্টগ্রামে নিয়ে এসেছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

স্বাধীন আরাকান রাজ্য প্রতিষ্ঠার নামে গত দু’যুগের বেশি সময় ধরে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ভিত্তিক সংগঠনগুলো। অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশে অবৈধ অস্ত্রের সিংহভাগই যোগান দিচ্ছে তারা।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডল সময় টিভিকে জানিয়েছেন, ‘রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদী যারা আছেন, তারা অস্ত্র নিয়ে আলাদা একটি রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়। বাংলাদেশেও যারা জেএমবি নামে চলছে তারা ইসলামিক রাষ্ট্র কায়েমের অভিপ্রায়ের নামে দেশে অস্ত্র সংগ্রহ করছে এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার চেষ্টা করছে। এর মধ্যে একটা যোগসূত্র পাওয়া যায়।’

তিনি আরও বলেন, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জেএমবি সদস্যরা স্বীকার করেছে, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কমান্ডার ফারদিন নিজে বান্দরবান গিয়ে রোহিঙ্গা সলিডরিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) কাছ থেকে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল।

তবে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব:) ইসফাক ইলাহী চৌধুরী। সময় টিভিকে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ থাকতেই পারে।

গত ২৭ ডিসেম্বর ভোরে হাটহাজারীর একটি জঙ্গি আস্তানায় পাওয়া যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অত্যাধুনিক এমকে ইলেভেন স্লাইপার রাইফেল। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর অপর একটি ঘটনায় জেএমবি সদস্যদের কাছ থেকে দু’টি একে টুয়েন্টি টু রাইফেল উদ্ধার করে পুলিশ।