logo

শুরু হলো হাইপারলুপের কাজ (ভিডিও সংযুক্ত)

শুরু হলো হাইপারলুপের কাজ (ভিডিও সংযুক্ত)

ওয়াশিংটন, ১৯জানুয়ারি- আংশিক বায়ুশূন্য বিশাল টিউবের ভেতর দ্রুতগামী ক্যাপসুলে করে মানুষ কিংবা মালামাল পরিবহন ব্যবস্থার নাম হাইপারলুপ। এতদিন এ বিষয়টি কল্পনাতে থাকলেও এবার তা বাস্তবে বানানো শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে হাইপারলুপের ট্র্যাক বানানো শুরু করেছে একটি প্রতিষ্ঠান। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্টারেস্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং। হাইপারলুপ ট্র্যাক বানাতে কাজ শুরু করেছে মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘হাইপারলুপ ট্রান্সপোর্টেশন টেকনোলজিস (এইচটিটি)’।


বহুদিন আগে থেকেই এ প্রযু্ক্তি নিয়ে আলোচনা করলেও অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় তা বাস্তবে কেউ বানানোর উদ্যোগ নেয়নি। তবে ২০১৩ সালে হাইপারলুপের বাস্তবসম্মত ধারণা দেন মার্কিন প্রকৌশলী, উদ্ভাবক ও গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার সিইও ইলন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, সৌর প্যানেলের মাধ্যমে এ হাইপারলুপের যানবাহন চালানো হবে। আর এর মাধ্যমে দ্রুত গতিতে যাত্রীরা কম সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যে বানানো শুরু হয়েছে হাইপারলুপ ট্র্যাক। প্রাথমিকভাবে এটি পরীক্ষামূলকভাবে বানানো হলেও পরবর্তীতে সবকিছু ঠিক থাকলে বেশ কয়েকটি শহর সংযোগ করতে এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে।


যাত্রীসহ হাইপারলুপ ক্যাপসুলগুলো ঘণ্টায় ১৬০ মাইল বেগে চালানো হবে। আর খালি ক্যাপসুলগুলো ট্র্যাকে ছুটবে ঘণ্টায় ৭৮০ মাইল বেগে। এতে যাত্রীদের ওপর থাকা অভিকর্ষজ বল অনেকটা ফর্মুলা ১ চালকদের গাড়ি চালানো সময়কার অনুভূত অভিকর্ষজ বলের সমান হবে।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, সারা বিশ্বে এই যোগাযোগব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্য রয়েছে এইচটিটির। যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে গ্লাসগো পর্যন্ত এই যোগাযোগব্যবস্থা চালু করতে ৩৯০ কোটি থেকে ৫২০ কোটি পাউন্ডের মতো খরচ হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। এর ফলে মাত্র ৩০ মিনিটে লন্ডন থেকে গ্লাসগো যাওয়া সম্ভব হবে।

ভিডিওতে দেখুন হাইপারলুপ :