logo

আমাদের দেশের প্রচলিত ৭ টি কুসংস্কার এবং তার যৌক্তিকতা

আমাদের দেশের প্রচলিত ৭ টি কুসংস্কার এবং তার যৌক্তিকতা

আমাদের দেশে কুসংস্কারের অভাব নেই। অবশ্য শুধু আমাদের দেশেই বা কেন? কম-বেশি কুসংস্কার সব দেশের মানুষেরই আছে। দেখে নিন, আমাদের দেশে কোন ১০ টি কুসংস্কার সবথেকে বেশি মানা হয়। আর এর পিছনের যুক্তিগুলোই বা কী!

১) সূর্যাস্তের পরই ঘর ঝাঁট দেওয়া - এ দেশের অনেক মানুষই এই কুসংস্কারটা বিশ্বাস করেন। তাঁরা সূর্যাস্তের পরই ঘর ঝাঁট দেন। কারণ, বিশ্বাস যে, রাতের বেলাতেও ঘরের মেঝেতে কিছু পরে থাকতে পারে। তাই সূর্য ডোবার পরে ঘরে ঝাঁট দেওয়া হলে, সেই নোংরাগুলোও পরিষ্কার হয়ে যায়।

২) সূর্যাস্তের পর নখ না কাটা - সূর্যাস্তের পর নখ কাটতে বারণ করা হয়। তার পিছনে যুক্তি হল, সূর্য ডোবার পর আলো কমে যায়। তাই নখ কাটতে গিয়ে আঙুল কেটে যেতে পারে।

৩) ভাঙা আয়না ব্যবহার করা - অনেকেই আয়না ভেঙে যাওয়ার পরও তা ব্যবহার করেন। এটাই কুসংস্কার। কিন্তু এতে চোট লাগার সম্ভাবনা থাকে।

৪) রাতে ফুলে হাত না দেওয়া - রাতে ফুল গাছে বা ফুলে হাত দিতে মানা করা হয়। কারণ, রাতে গাছে নানারকম বিষাক্ত পতঙ্গ থাকে। তা কামড়ে দিতে পারে।

৫) বিড়ালে রাস্তা কাটা - এটা আমাদের দেশে খুবই মানা হয়। রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে যেতে যেতে অথবা হেঁটে যাওয়ার সময় কোনও বিড়াল রাস্তা পার হলে, তখন মানুষ দাঁড়িয়ে পড়ে। তার কারণ ধরা হয় যে, সাধারণত, বিড়াল জাতীয় প্রাণীদের অন্য বড় পশুরা তাড়া করে। সেক্ষেত্রে বিড়ালকে দেখার পর একটু দাঁড়িয়ে গেলেই ভালো হয়। তাহলে বিপদের সম্ভাবনা কম থাকে।

৬) বাদুড় ঘরে ঢুকলে মৃত্যু হবে - সাধারণত, বাদুড়কে ভৌতিক প্রাণী বা পাখি হিসেবেই ধরা হয়। তাই বাদুড় ঘরে ঢোকাকে অশুভ হিসেবেই মানা হয়। কিন্তু এর পিছনে যুক্তিটা হল, বাদুড় রক্ত খায়। আর রক্তের স্বাদ পাওয়া কোনও প্রাণী ঘরে ঢোকা মানে বিপদেরই সম্ভাবনা।

৭) গায়ে টিকটিকি পড়া মানে মৃত্যু - সাধারণত আমাদের দেশে কারও গায়ে টিকটিকি পড়া মানে অশুভ ধরা হয়। বলা হয়, সেই মানুষটি মরে যেতে পারে। এর পিছনে যুক্তি হল, টিকটিকি বিষাক্ত প্রাণী। সে গায়ে পড়ার অর্থ কোনও বিষক্রিয়া হতেই পারে।