logo

গণভবনে দাওয়াত পেলেন শিক্ষক নেতারা

গণভবনে দাওয়াত পেলেন শিক্ষক নেতারা

ঢাকা, ১৭ জানুয়ারী- প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আগামীকাল সোমবার বুদ্ধিজীবী ও শ্রেণি-পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে পিঠা উৎ​সবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন। এই আয়োজনে দাওয়াত পেয়েছেন আন্দোলনরত সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতারাও।

জানতে চাইলে আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বরেণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে আগামীকাল বিকেলের দিকে গণভবন চত্বরে পিঠা খাওয়া হবে। শিল্পীরা গান গাইবেন। সবাই একত্র হবেন। গত বছরও এমন আয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, শুধু শিক্ষকদের নয়; বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিদের এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শিক্ষকদের আন্দোলনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

আর আন্দোলনরত বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বিকেল সাড়ে চারটায় শিক্ষক নেতাদের দাওয়াত দিয়েছেন। সেখানে তাঁর মাধ্যমে একটা কিছু ঘোষণা আসতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

এর আগে আজ সন্ধ্যায় ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আগের মতোই সর্বোচ্চ গ্রেডে যাওয়াসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব লিখিত আকারে শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইনের হাতে দিয়ে আসেন। এই লিখিত প্রস্তাবের সঙ্গে আনুষঙ্গিক কিছু কাগজপত্রও দেন শিক্ষক নেতারা। এসব প্রস্তাব ও কাগজ জমা দেওয়ার পর শিক্ষা সচিব ও শিক্ষক নেতারা শিগগিরই এই সংকট নিরসন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, সবাই মিলেমিশে সমাধানের চেষ্টা চলছে যাতে ছাত্ররা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং শিক্ষকদের মর্যাদাও অক্ষুণ্ন থাকে। এ নিয়ে তাঁরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন। খুব কম সময়ের মধ্যেই পর্যালোচনা করে সরকারের যে পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা সেটা নেওয়া হবে এবং সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ কয়েকজন সাংবাদিককে বলেন, ‘আশা করছি স্বল্প সময়ের মধ্যেই একটা সমাধান হবে।’ তাঁরা আগের মতোই সুযোগ-সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন বলে জানান তিনি।

এর আগে দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেডারেশনের নেতারা সভা করে শিক্ষা সচিবের কাছে জমা দেওয়া লিখিত প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করেন। তবে প্রস্তাবে কী আছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি শিক্ষক নেতারা।