logo

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিতে বাংলাদেশ

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিতে বাংলাদেশ

ঢাকা, ১৫ জানুয়ারী- প্রথম ধন্যবাদটা শ্রীলঙ্কারই প্রাপ্য। আগের ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয়ে লাভ হয়েছিল বাংলাদেশেরই। সেমিফাইনাল নিশ্চিত—এটি জেনেই নামতে পেরেছিলেন মামুনুলরা। কিন্তু নির্ভার হয়েও ঘরের মাঠে নেপাল অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সঙ্গে জিততে পারল না! গ্রুপের শেষ ম্যাচে আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ। আর এতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫। সমান পয়েন্ট পেয়েও গোল গড়ে পিছিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ নেপাল।

প্রথমার্ধে বাংলাদেশের পায়েই বল ঘুরেছে বেশিরভাগ সময়। দ্বিতীয়ার্ধে ছিল নেপালের আধিপত্য। বল নিয়ে কখনো শাখাওয়াত রনি, মামুনুল, বক্সে ঢুকেছেন। গোল পাননি। কখনো বল তুলে দিয়েছেন গোলরক্ষক বিকেশ কুথুর হাতে। কখনো বারের ওপর দিয়ে বাইরে মেরেছেন। একাধিক আক্রমণের অপমৃত্যু ঘটেছে বক্সের মধ্যে গিয়ে।

স্ট্রাইকার শাখাওয়াত আলী রনি প্রথম সুযোগটা পান ১২ মিনিটে। তাঁর দুর্বল শট লাগে নেপালের গোলরক্ষক বিকেশ কুথুর গায়ে। ২২ মিনিটে হেমন্ত বক্সে ঢুকে বল তুলে দেন নেপালের গোলরক্ষকের হাতে। ৪৩ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার চমৎকার শট জটলার মধ্যে জীবনের পায়ে লেগে বেরিয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য নেপালই বেশি আক্রমণে উঠেছে । ৫০ মিনিটে হেমান গুরুংয়ের শট বারের সামান্য ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর ৬৫ মিনিটে অধিনায়ক বিরাজের শট দারুণ দক্ষতায় ধরে ফেলে আশরাফুল।

৮৩ মিনিটে আরেকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন রনি। বক্সের সামান্য বাইরে থেকে রাজু বাড়িয়ে দিয়েছিলেন বল, রনির সামনে তখন শুধুই গোলরক্ষক। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বারের ওপর দিয়ে বল তুলে দেন বাইরে। বাকি সময়ে অবশ্য দুই দলের কেউই আর গোল পায়নি। তবু ম্যাচ শেষে পুড়ল আতশবাজি। খেলা দেখে অতৃপ্ত দর্শকেরা যেন তৃপ্তি খুঁজে আতশবাজির রোশনাইয়ে!

বাংলাদেশ দল: আশরাফুল, নাসিরুল (রায়হান), জামাল, ইয়াসিন, ইয়ামিন, মামুনুল, হেমন্ত (জুয়েল রানা), মোনায়েম, নাসির উদ্দিন, জীবন (সোহেল রানা), শাখাওয়াত।