logo

এটি কারনির তালিকায় ৪ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের

এটি কারনির তালিকায় ৪ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারী- তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। ২০১৪ সালে বিশ্বখ্যাত প্রথম সারির ম্যানেজমেন্ট কনসালটিং ফার্ম এ টি কারনির গ্লোবাল সার্ভিস লোকেশন ইনডেক্স বা জিএসএলআইয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছিল। এ বছর সে অবস্থান থেকে চার ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। এ টি কারনি প্রকাশিত প্রতিবেদনে আইটি আউটসোর্সিং, অফশোরিংয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের ৫০টি দেশের মধ্যে তালিকায় বাংলাদেশের এবারের অবস্থান ২২ যা গত বছর ছিল ২৬তম। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সূত্রে ও এটি কারনির তথ্য ঘেঁটে বিষয়টি দেখা গেছে।

বেসিস সূত্র জানিয়েছে, আইটি আউটসোর্সিং, ব্যাক অফিস বা অফশোরিং, বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও), ভয়েস সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে অসামান্য অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় জিএসএলআই সূচকে ৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) গত কয়েকবছর ধরে এ. টি. কারনিকে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। এ ছাড়া বিদেশে কান্ট্রি ব্র্যান্ডিং করছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।


জিএসএলআই-এ বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সরকারের বিভিন্ন কার্যকরী উদ্যোগের ফলে গত কয়েক বছর ধরে তথ্যপ্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে আইটিইউ অ্যাওয়ার্ড, সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড, গার্টনার এবং এ. টি. কারনিসহ বেশ কিছু সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্টে আরও জোর দেওয়া প্রয়োজন। এ কারণে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পকে সঙ্গে নিয়ে ই-গভর্নেন্সসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে দেশি কোম্পানির জন্য স্থানীয় বাজার প্রসারিত হবে।

বেসিস সভাপতি শামীম আহসান বলেন, এ. টি. কারনির সূচকে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ৫০টি আইটি আউটসোর্সিং ও অফশোরিং দেশের মধ্যে এশিয়ার প্রভাব রয়েছে। এই তালিকায় ৪ ধাপ এগিয়ে থাকার বিষয়টি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমাদের অগ্রগতির ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। আমরা যদি ৩ বছরের মধ্যে জিএসএলআই-এর তালিকায় প্রথম ১০টি দেশের মধ্যে থাকতে চাই তাহলে আমাদেরকে স্থানীয় বাজার উন্নয়নে জোর দিতে হবে।