logo

শিক্ষকদের আন্দোলন ‘জটিল পর্যায়ে’: মন্ত্রী

শিক্ষকদের আন্দোলন ‘জটিল পর্যায়ে’: মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারী- বেতন কাঠামো নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের বিষয়টি ‘জটিল পর্যায়ে’ চলে গেছে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘সম্মানজনক’ সমাধানের পথ বের করতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

বুধবার আশুলিয়ার দত্তপাড়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রায় নয় মাস আগে অষ্টম বেতন কাঠামোর প্রস্তাব আসার পর থেকেই গ্রেডে মর্যাদার অবনমন এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে রয়েছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

দাবি আদায় না হওয়ায় সোমবার দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে যাওয়ায় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

এ প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আন্দোলনের বিষয়টি জটিল পর্যায়ে চলে গেছে। সরকার ও শিক্ষক উভয় পক্ষেই আন্তরিক আলোচনা চলছে। সবার জন্য সম্মানজনক সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। কবে সমাধান হবে এর দিনক্ষণ বলা যাবে না, তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ক্যাম্পাসেই করার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিজস্ব ক্যাম্পাস ছাড়া অন্যত্র কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধে সরাকরি প্রজ্ঞাপন জারির পরও যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে ‘অতি দ্রুত’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিন হাজার ৬৮৩ জন গ্রাজুয়েটের হাতে সনদ তুলে দেন মন্ত্রী। তাদের মধ্যে ২৫০ জন বিদেশি শিক্ষার্থীও রয়েছে। কৃতিত্বপূর্ণ ফলের জন্য ১৫ জন গ্রাজুয়েটকে দেওয়া হয় স্বর্ণপদক।

দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনাময় খাত’ অভিহিত করে তিনি বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক বিদেশি শিক্ষার্থীও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৬৩০ জন বিদেশি শিক্ষার্থী পড়ছে বলে মন্ত্রী জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়ার পারলিস প্রদেশের ক্রাউন প্রিন্স ও ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিস এর চ্যান্সেলর টংকু সৈয়দ সিরাজুদ্দিন জামালুল্লাই, ড্যাফেডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহাবুব ইসলাম এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান।