logo

রিভিউ আবেদন করবেন সাঈদীও

রিভিউ আবেদন করবেন সাঈদীও

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারী- একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী রিভিউ আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

বুধবার দুপুরে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে সাঈদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তারা। আইনজীবীরা হলেন-সাইফুর রহমান, তাজুল ইসলাম, মতিউর রহমান আকন্দ ও ইউসুফ আলী।

আইনজীবীরা জানান, আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশের রায় থেকে খালাস চেয়ে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন (রিভিউ) আবেদন করবে সাঈদী।

মঙ্গলবার সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আবেদনে, পাঁচটি আইনগত যুক্তি দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখার জন্য আরজি জানা যায়।

মানবতারিবোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে ফাঁসির সাজা দিয়ে রায় ঘোষণা করে। সে রায়ের বিরুদ্ধে সাঈদী ও রাষ্ট্রপক্ষ উভয়ই পাল্টাপাল্টি আপিল করে। আপিলে সাঈদী খালাস চাইলেও রাষ্ট্রপক্ষ চায় ফাঁসি। শুনানি শেষে আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের করা কোনো আবেদন গ্রহণ করেনি আদালত।

আপিল বিভাগ ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদ- দেয়। অর্থাৎ মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সাঈদী কারাগারে থাকবেন। আদালত সাঈদীর এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ করে দীর্ঘ ১৫ মাস পর। রায় প্রকাশের পর এ মামলার পক্ষসমূহের রিভিউ আবেদন করার পথ তৈরি হয়।

এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের পুর্নবিবেচনা (রিভিউ) করে তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখতে রিভিউ আবেদন করেন। নিয়মানুযায়ী এ মামলার রায় আপিল বিভাগের যে বেঞ্চে ঘোষণা করা হয়েছে তারাই রিভিউ আবেদনের ওপর শুনানি করবেন। তবে সাঈদীর আপিলের রায় ঘোষণাকারী ৫ বিচারপতির মধ্যে ইতোমধ্যে ২ জন বিচারপতি অবসরে গেছেন। রিভিউতে মূল ৩০ পৃষ্ঠার আবেদনের সঙ্গে মোট ৬শ’ ৫৩ পৃষ্ঠার নথিপত্র জমা দেয়া হয়েছে। যাতে পাঁচটি যুক্তি বা গ্রাউন্ড রয়েছে।