logo

জাতিসংঘের সামনে পুরো ফেব্রুয়ারিই থাকবে শহীদ মিনার

জাতিসংঘের সামনে পুরো ফেব্রুয়ারিই থাকবে শহীদ মিনার

নিউ ইয়র্ক, ১৩ জানুয়ারী- ভাষা শীহদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবার ফেব্রুয়ারির প্রথম থেকে শেষদিন পর্যন্ত জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে রাখা হবে শহীদ মিনার তথা একুশের ভাস্কর্য।

‘মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের’ আবেদনে সাড়া দিয়ে নিউ ইয়র্ক নগর কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী শহীদ মিনার পুরো মাস রাখার অনুমতি দিয়েছে।

নিউ ইয়র্কের মেয়র কার্যালয়ের কর্মকর্তা জেনিফার লেন্টাস জাস মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে শহীদ মিনারের জন্য স্থানও নির্ধারণ করে দেন। এসময় ‘মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের’ কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধি দল জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে দেখা করে করে শহীদ স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে।

১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনের পার্কে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হতো। একুশের প্রথম প্রহরে সেই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের ঘণ্টাখানেক পরই সেটি সরিয়ে ফেলা হতো।

এবার অস্থায়ী শহীদ মিনারের নকশা করেছেন অলম্পিক পদকজয়ী শিল্পী খুরশীদ সেলিম। আর এটি নির্মাণ করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী মৃণাল হক।

১ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকালে শহীদ মিনার স্থাপনের পর তা সেখানে থাকবে ২৯ ফেব্রুয়ারি শেষ লগ্ন পর্যন্ত।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা জানান, জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই ফাউন্ডেশন জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৪৭ স্ট্রিট ও ফার্স্ট এভিনিউ সংলগ্ন পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

“পুরো ফেব্রুয়ারি মাস থাকবে শহীদ মিনার- এটিও একটি অর্জন। ধীরে হলেও মূল দাবি আদায়ের পথে হাঁটছি আমরা।”

প্রতিবারের মতো এবারও বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী জাতিসংঘের সামনে একুশের কর্মসূচি শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর একটা এক মিনিটে।

আর ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি হবে একুশের গ্রন্থমেলা। জ্যাকসন হাইটসের পিএস ৬৯ মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন লেখক সৈয়দ শামসুল হক, আনোয়ারা সৈয়দ হক এবং কবি শহীদ কাদরী।