logo

মুদ্রা পাচার: তারেকের বিরুদ্ধে সমন

মুদ্রা পাচার: তারেকের বিরুদ্ধে সমন

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি- মুদ্রা পাচার মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিষয়টি জানাতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

সেই সঙ্গে সমনের বিষয়টি জানিয়ে দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলেছে আদালত।   

জজ আদালতে এ মামলা থেকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেককে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির দিন ধার্যের জন্য মঙ্গলবার হাই কোর্টের কার্যতালিকায় এলে বিচারপতি এম ইনায়াতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

হাই কোর্টে এ মামলার পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি।

দুদকের পক্ষে এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

আদেশের পর তিনি বলেন, “আপিলের বিষয়টি জানাতে আদালত তারেকের নামে নতুন করে নোটিস জারি করতে নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইন ও বিধি অনুসারে এই সমন জারির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।”

ঘুষ হিসাবে আদায়ের পর ২০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা এই মামলার রায়ে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর তারেককে বেকসুর খালাস দেন। আর তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে দেওয়া হয় সাত বছর কারাদণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড।

দুর্নীতি দমন কমিশন ওইবছর ৫ ডিসেম্বর তারেকের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করে। শুনানি শেষে গতবছর ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্ট দুদকের আপিল গ্রহণ করে আসামি তারেক রহমানকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেয়।

এরপর আপিল শুনানির দিন ধার্যের জন্য বিষয়টি মঙ্গলবার আদালতের কার্যতালিকায় আসে।

খুরশীদ আলম খান বলেন, ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্ট আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করার দিন তারেকের নামে সমন দেওয়া হলেও তা জারি না হয়ে ফেরত আসে। এ কারণেই মঙ্গলবার আদালত এ আদেশ দেয়।

এর আগে ১৯ জানুয়ারি হাই কোর্ট দুদকের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে। তখন তার প্রতি সমন দেওয়া হলেও তা জারি না হয়ে ফেরত আসায় মঙ্গলবার আদালত নতুন করে নোটিস জারির এই আদেশ দিল।

“১৪ ফেব্রুয়ারির আগে যদি আদালতের ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়ে যায়, তাহলে ওইদিন আপিলের ওপর শুনানি শুরু হতে পারে।

এ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াতেই অনুপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক। গত আট বছর ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। আত্মসমর্পণ করলে তিনি জামিন চাইতে পারবেন।