logo

হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরাতে সময় ‘৭২ ঘণ্টা’

হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরাতে সময় ‘৭২ ঘণ্টা’

ঢাকা, ১০ জানুয়ারী- আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যেসব ট্যানারি হাজারীবাগ ছাড়বে না, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

‘শিল্পখাতের উন্নয়নে চলতি অর্থবছরে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম মূল্যায়ন সভায়’ রোববার শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর পরিবেশ রক্ষায় হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সরিয়ে নিতে সাভারে চামড়া শিল্প নগরী গড়ে তোলা হলেও ব্যবসায়ীরা তাদের আগের স্থান ছাড়তে অনাগ্রহী।

আগামী তিন দিনের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে যেসব ট্যানারি স্থানান্তর হবে না, সেগুলোর নামে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে বরাদ্দ করা প্লট বাতিলের নির্দেশও দিয়েছেন মন্ত্রী।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিসিককে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) রোববারই ট্যানারি মালিকদের কাছে উকিল নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে কারখানা স্থানান্তরে ট্যানারি মালিকদের সময় বেঁধে দিলেও তাতে খুব একটা অগ্রগতি হয়নি।

সাভারে বাস্তবায়নাধীন চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে চামড়া শিল্পনগরীতে সিইটিপির (কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার) বর্জ্য পরিশোধন কাজ শুরু করতে হবে।

“যেসব ট্যানারি মালিক নির্মাণ কাজে বিলম্ব করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যানারি স্থানান্তরে সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ নিয়েও যারা কাজ বন্ধ রেখেছে তাদের হাজারীবাগের কারখানার মালামাল ক্রোক করার হুমকিও দিয়েছেন মন্ত্রী।

বিসিক ও ট্যানারি মালিকদের দুই সংগঠনের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ট্যানারি মালিকদের ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগের সব ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরের কথা ছিল।

পরে আরও দুই দফা সময় বাড়িয়ে ট্যানারি স্থানান্তরের নতুন গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে প্রতি ১০ দিন পর পর সংস্থা প্রধানদের নিয়ে মূল্যায়ন সভা ও অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য শিল্পসচিবকে নির্দেশনা দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।

শিল্পসচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “ভোক্তা পর্যায়ে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ নিশ্চিত করতে বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিএসটিআইকে (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন) নির্দেশনা দেওয়া হয়।”

একইসঙ্গে লবণ আমদানিকারকদের কার্যক্রম তদারকি এবং বাজারে মধুর গুণগতমান পরীক্ষার জন্যও নির্দেশনা দিয়েছন মন্ত্রী।