logo

৯৩ বছর বয়সে অলিম্পিক-স্বপ্ন!

৯৩ বছর বয়সে অলিম্পিক-স্বপ্ন!

৯৩ বছর পর্যন্ত কেউ বেঁচে থাকলে সৌভাগ্যবান ভাবতে পারেন নিজেকে। অথচ বিল গুইলফয়ল কি না এই বয়সে অলিম্পিকে খেলতে চাইছেন! টেবিল টেনিসের বর্ষীয়ান এই খেলোয়াড় সামনের মাসে অংশ ​নেবেন যুক্তরাষ্ট্রের অলিম্পিক ট্রায়ালে।

চমকের এখানেই শেষ নয়। গত লন্ডন অলিম্পিকের জন্যও ট্রায়াল দিয়েছিলেন গুইলফয়ল। তখন অবশ্য প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়েছিলেন। সেই ব্যর্থতায় মোটেও দমে যাননি। সেটিকে বড় করে দেখতেও রাজি নন, ‘আমার ব্যাটের দাম ছিল মাত্র ৪৫ ডলার। অন্য সবাই অনেক দামি ব্যাট দিয়ে খেলেছে। আর এখন আড়াই ডলার দামের বল দিয়ে খেলা হয়। এসব বিবেচনা করলে আমি খুব একটা খারাপ করিনি।’ আগের চেয়ে এবার প্রস্তুতি ভালো বলেও জানিয়েছেন, ‘এ বছর আমি আগের চেয়েও বেশি অনুশীলন করছি। রীতিমতো রোমাঞ্চিতই লাগছে আমার।’

ভদ্রলোককে সৌখিন খেলোয়াড় ভাবলেও ভুল করবেন। ৪০ বছর ধরে টেবিল টেনিস ও টেনিসের কোচ হিসেবে কাজ করছেন। গুইলফয়ল যুক্তরাষ্ট্রের টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের সংস্থার নিবন্ধিত সদস্যও।

যদি সত্যি সত্যি অলিম্পিকে নাম লেখাতে পারেন, সেটা হবে রূপকথার চেয়েও বেশি কিছু। অলিম্পিকের ইতিহাসে এর কাছাকাছি বয়সেও কোনো খেলোয়াড়ের নাম লেখানোর রেকর্ড নেই। লন্ডন অলিম্পিকে জাপানের হয়ে ড্রেসেজে (ঘোড়ার খেলা) অংশ নিয়েছিলেন ৭১ বছর বয়সী হিরোসি হোকেতসু। আর প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি বয়সে সোনা জেতার রেকর্ডটি সুইডেনের অস্কার শনের। ১৯১২ স্টকহোম অলিম্পিকে ৬৪ বছর ২৮০ দিনে সোনা জিতেছিলেন শন। আট বছর পর অ্যান্টওয়ার্প অলিম্পিকেও ছিলেন শন, তবে সেবার কোনো পদক জিততে পারেননি। তথ্যসূত্র: বিবিসি, স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড