logo

বৃষ্টিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বৃষ্টিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সিডনি, ০৭ জানুয়ারি- সিডনি টেস্ট ড্র হচ্ছে তা জানাই ছিল। টানা দুদিন পুরো দিনের খেলা ভেসে যায় বৃষ্টিতে। আরেকদিন হয় মাত্র ১১.২ ওভারের খেলা। তাই বৃহস্পতিবার ম্যাচের শেষ দিনের খেলাটা অনেকটাই আনুষ্ঠানিকতার ছিল। সেই আনুষ্ঠানিকতার দিনে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে দুই উইকেটে ১৭৬ রান করে। সেঞ্চুরি করেন ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ করে ৩৩০ রান। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়ার তিন মাচের সিরিজ নিশ্চিত ছিল আগেই। তবে বৃষ্টি ভাগ্যে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয় সফরকারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ওয়ার্নার অবশ্য সেঞ্চুরিতে একটা রেকর্ডও গড়েন। মাত্র ৮২ বলে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ানের খাতায় শীর্ষেই নামটা লিখিয়ে রাখেন। এই ম্যাচে পাঁচ দিনের তিন দিন কমবেশি খেলা হয়েছে। তবে সবিমিলিয়ে ওভার হয়েছে ১৫০.১। প্রথম দিনে ৭৫ ওভার খেলা হলেও ৬৮ বলেই শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের খেলা। মাঝে দুদিন বল মাঠেই গড়ায়নি। তাই শেষ দিনে গ্যালারি ওপেন করে দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। 

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাত উইকেটে ২৪৮ রান নিয়ে শেষ দিনে আবারো প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামে। বাকি তিন উইকেট হারিয়ে তারা যোগ করে আরো ৮২ রান। ৩৩০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংস। টানা ‍দ্বিতীয় ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেন দিনেশ রামদিন। ৬২ রান করে আউট হন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে স্টিভ ও’কিফি ও নাথান লিয়ন তিনটি এবং জেমস প্যাটিনসন দুটি করে উইকেট নেন।  

মধ্যাহ্ন বিরতির পর অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করে। ওপেনিংয়ে ডেভিড ওয়ার্নার ও জো বার্নস শত রানের জুটি গড়েন। ওয়ার্নার মাত্র ৪২ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে শত রানের জুটিতে ২৬ রান করে ওয়ারিকান আউট হন। এরপর দলীয় ১৫৪ রানে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মিচেল মার্শ। বিরতির জন্য নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগেই আবারো বৃষ্টি নামে। তখন ওয়ার্নার ১৬তম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান পেছনে ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত ওয়ার্নারের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়। সঙ্গে পান রেকর্ডও। ২০০৩-০৪ সেশনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাথু হেডেন ৮৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সিডনিতে সেটিই ছিল এতোদিন টেস্টে দ্রুততম সেঞ্চুরি। ওয়ার্নার ৮২ বলে শত রান করে সেই রেকর্ড নিজের দখলে নেন। শেষ পর্যন্ত ১২২ রানে অপরাজিত থেকেই মিশন শেষ করেন এই অসি ওপেনার। সেইসঙ্গে হয়েছেন ম্যাচসেরাও। আর সিরিজ সেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এ্যাডাম ভোজেস।