logo

শুভেচ্ছার চাপে নোটিস লাগালেন জনৈক ব্যক্তি

শুভেচ্ছার চাপে নোটিস লাগালেন জনৈক ব্যক্তি

এই সেই নোটিস।

ছুটি কাটিয়ে অফিসে প্রবেশ করতে না করতেই যে সমস্ত কমন প্রশ্নবাণের সম্মুখীন হতে হয়, তার সব ক’টির উত্তর বহন করছে এই নোটিস। বহুকাল আগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র একটা হাস্যকৌতুক রেকর্ড করেছিলেন, যার সারমর্ম ছিল বিজয়া দশমীর পরে বাঙালির শুভেচ্ছাবাজির চোটে নাজেহাল অবস্থার বিবরণ। এই ‘কমিক’-টিতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ তীক্ষ্ণ গলায় মাঝে মাঝে বলে উঠতেন— ‘‘কোলাকুলি, না হোলাহুলি’’। সেদিন আর নেই। এই ধরনের ‘বর্বরোচিত’  শুভেচ্ছাজ্ঞাপন থেকে বাঙালি সরে এসেছে গ্লোবাল কালচারের দৌলতে। এখন সবই কেমন সাহেব সাহেব। প্রতিক্রিয়া প্রকাশও সংক্ষেপিত। শুধু বাঙালি কেন, জাতিধর্ম নির্বিশেষে এই সংক্ষেপিত কুশল জ্ঞাপনে অভ্যস্ত এই মুহূর্তে।

কিন্তু দুনিয়া যে বদলায়নি, তার প্রমাণ সম্প্রতি পাওয়া গেল ‘সাহেব’-দের দেশ থেকে আগত এক সমাচারে। খোদ বিলেতের এক সাইটে সম্প্রতি সদ্য বিগত ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা-বিভ্রাটের মুখের মতো জবাব পাওয়া গেল। 

ক্রিসমাস এবং নববর্ষের ছুটির পরে আপিস খুললে সকলকেই কয়েক লক্ষ বার একই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তিতিবিরক্ত হয়ে জনৈক ব্যক্তি অফিসেই লটকে দিয়েছেন এক ‘নির্মম’ নোটিস। তার উপজীব্য হল— ছুটি কাটিয়ে অফিসে প্রবেশ করতে না করতেই যে সমস্ত কমন প্রশ্নবাণের সম্মুখীন হতে হয়, তার সব ক’টির উত্তর। 
প্রথমেই নোটিস-কর্তা জানিয়ে দিয়েছেন, ছুটি ভাল কেটেছে, ক্রিসমাস ভাল কেটেছে। তার পরেই জানিয়েছেন, তাঁর কোনও নিউ ইয়ার রেজলিউশন নেই। এর পরে তিনি প্রবেশ করেছেন ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এই ফোটোগ্রাফটি ভাইরাল। কে যে এই নোটিসের উপান্তে উল্লিখিত লিন্ডা, তা জানা বা বোঝার তোয়াক্কা না-করেই হাজার হাজার মানুষ লাইক করছেন ছবিটিকে। জনৈক বাঙালির ‘ফেসবুক টিপ্পনী’— ‘‘বাগাড়ম্বর তাহলে ইউনিভার্সাল!’’