logo

ড. দেবপ্রিয় ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব

ড. দেবপ্রিয় ও স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব

ঢাকা, ০৬ জানুয়ারি- বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘সম্মানীয় ফেলো’ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী ইরিনা ভট্টাচার্যের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে  রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।

৪ জানুয়ারি সিআইসির সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে ব্যাংক হিসাব ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ তথ্য জানতে চেয়ে দুটি চিঠি দিয়েছে।

সিডিবিএলে পাঠানো চিঠিতে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও তার স্ত্রী ড. ইরিনা ভট্টাচার্য বা তাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের একক বা যৌথ নামে যেকোনো বিও হিসাব পরিচালিত বা রক্ষিত হয়ে থাকলে ওই হিসাবের ২০০৮ সালের ১ জুলাই থেকে হালনাগাদ বিবরণী জরুরি ভিত্তিতে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১১৩(এফ) ধারার ক্ষমতাবলে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি চিঠিতে পূর্বে ছিল কিন্তু এখন বন্ধ হয়ে গেছে এমন বিও এ্যাকাউন্টের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

চিঠি পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংক ও সিডিবিএলকে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য দিতে ব্যর্থ হলে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ধারা ১২৪(১) অনুযায়ী এককালীন ২৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তী প্রতিদিনের জন্য ৫০০ টাকা জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ধারা ১৬৪(সিসি) ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড আরোপে ফৌজদারি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে, ফ্ল্যাট-বি২, হাউজ-২এ, রোড-৬৩, গুলশান-২। ফ্ল্যাট-বি২, হাউজ-২এ, রোড-৬০, গুলশান-২। হাউজ-১৫৭, লেন-২২, ডিওএইচএস, মহাখালী। হাউজ-৪০/সি, রোড-১১(নতুন) ধানমণ্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৯।

৩ জানুয়ারি ব্র্যাক ইন সেন্টারে সিপিডির সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে আদায় প্রবণতা অনেক কম। আর স্পেক্ট্রামের নিলামের অর্থও চলতি বছর পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছর প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিবর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের যে তথ্য এনবিআর দেখিয়েছে তার চাইতে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা কম আদায় হয়ে বলে উল্লেখ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।