logo

হারিছ চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

হারিছ চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

হবিগঞ্জ, ০৫ জানুয়ারি- আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। হারিছ চৌধুরী বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক উপদেষ্টা। মঙ্গলবার হবিগঞ্জের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ও জেলা জজ আতাবুল্লাহ এই পরোয়ানা জারি করেন। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এ মামলার অন্যতম আসামি হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১১ আসামিকে হবিগঞ্জ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মো. আতাবুল্লাহর আদালতে হাজির করা হয়। তবে এ মামলার আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্ত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র গোলাম কিবরিয়া গউছকে (জি কে গউছ) আদালতে হাজির করা হয়নি। এ ছাড়া জামিনে থাকা আট আসামি আদালতে হাজিরা দেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। 
গত বছরের ৫ আগস্ট কিবরিয়া হত্যার বিস্ফোরক মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র হবিগঞ্জের আমলি আদালতে দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অভিযোগপত্রে হারিছ চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ এবং মুফতি হান্নানসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচ হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তাতেও একই ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করা হয়।
আলোচিত এই হত্যা মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ, হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন। জামিনে আছেন আট আসামি।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা শাহ এ এম এস কিবরিয়া নিহত হন। একই ঘটনায় নিহত হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের চার নেতা-কর্মী। আহত হন ৭০ জন।