logo

আইসিসের নয়া জেহাদি জন আসলে বাঙালি! ঘুম কাড়ছে দুনিয়ার তাবড় গোয়ন্দাদের

আইসিসের নয়া জেহাদি জন আসলে বাঙালি! ঘুম কাড়ছে দুনিয়ার তাবড় গোয়ন্দাদের

লন্ডন, ০৫ জানুয়ারী- নাম তার সিদ্ধার্থ ধর। পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা ওই বাঙালি যুবকই এখন ঘুম কেড়েছে দুনিয়ার তাবড় গোয়েন্দাদের। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল ব্রিটিশ প্রশাসন। সিদ্ধার্থ অরফে আবু  রুমায়েশের  সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে নতুন জেহাদি জনের গলার স্বর।  সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার জন্য ২০১৪ গ্রেফতার করা হয় সিদ্ধার্থকে। জামিনে ছাড়া পেয়েই  অন্তঃসত্ত্বা  স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে দেশ ছাড়েন সে। গন্তব্য ছিল সিরিয়া। সেখানেই গিয়েই এক হাতে এক-কে ফর্টি সেভেন অন্য হাতে নবজাতক ছেলেকে নিয়ে নিজের ছবি পোস্ট করে সিদ্ধার্থ।

জেহাদি জন টুয়ের সঙ্গে মিল রয়েছে তার ভাইয়ের গলার স্বরের। দাবি সিদ্ধার্থর বোন কনিকার। আইসিসের  নতুন জেহাদি  জন এক বাঙালি ছেলে। লন্ডনের যুবক সিদ্ধার্থ ধরই এখন ঘুম কাড়ছে দুনিয়ার তাবড় গোয়ন্দাদের।  দুহাজার চোদ্দর নভেম্বরে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে লন্ডনে গ্রেফতার হয়েছিল সিদ্ধার্থ অরফে আবু রুমায়েশ। ছাড়া পেয়েই সিরিয়ায় পালিয়ে যায় সিদ্ধার্থ।

আইসিসের হার হিম করা এই ভিডিয়ো প্রকাশ হতেই ঘুম উড়ে গিয়েছে ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের। পাঁচ পাঁচ জনকে খুন করার সঙ্গে ব্রিটেন দখলের হুমকি!কিন্তু কে এই মুখ ঢাকা যুবক? ঠাণ্ডা স্বরে হুমকি দিচ্ছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশকে? ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের দাবি, এই যুবক এক ব্রিটিশ বাঙালি।  নাম সিদ্ধার্থ ধর।

কে এই সিদ্ধার্থ ?
পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা সিদ্ধার্থর পরিবার বহুদিন  ধরেই ব্রিটেনে রয়েছে । চার সন্তানের বাবা সিদ্ধার্থ মুসলিম হয়ে  নাম নেন আবু রুমায়েশ। নিষিদ্ধ সংগঠন অল-মুহাজিরুনের মুখপাত্র ছিল সে। আনজেম চৌধুরীর সহযোগী হিসাবে কাজ করত সিদ্ধার্থ।

লন্ডনে থাকার সময়ও একাধিক কট্টর পন্থী কাজ কর্মে যুক্ত ছিল সিদ্ধার্থ।  একাধিকবার মিডিয়ার সামনেও এসেছে সে। ২০১৪ র নভেম্বরে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয় সিদ্ধার্থ। ছাড়া পেয়েই অন্তঃসত্ত্বা  স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে দেশ ছাড়ে সে। প্যারিস হয়ে সোজা সিরিয়া। এক হাতে এক-কে ফর্টি সেভেন অন্য হাতে নবজাতক ছেলেকে নিয়ে নিজের ছবি পোস্ট করে সিদ্ধার্থ।

ভাইয়ের এই ছবি সামনে আসায় স্তম্ভিত সিদ্ধার্থর বোন কণিকা। শুধু কণিকাই নন।  সিদ্ধার্থর পরিচিত অনেকেই মানছেন ভিডিয়োর নয়া জেহাদি জন আসলে সিদ্ধার্থই।