logo

কানাডায় ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবারের সাথে কাইয়ুম চৌধুরীর মতবিনিময়

কানাডায় ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবারের সাথে কাইয়ুম চৌধুরীর মতবিনিময়

টরন্টো, ৭ সেপ্টেম্বর- গত বুধবার টরন্টোর বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা ড্যানফোর্থের রেডহট তান্দুরি রেষ্টুরেন্টে ফেঞ্চুগঞ্জের দুই কৃতি সন্তান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক কাইয়ুম চৌধুরী এবং প্রখ্যাত বাউল শিল্পী কালা মিয়ার সাথে টরেন্টোতে বসবাসরত ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবারের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন দেশে বিদেশে সম্পাদক নজরুল মিন্টো। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্হ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি সি.এম. তোফায়েল সামি । বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন ভারতের বহুল প্রচারিত দৈনিক "যুগশঙ্খ" পত্রিকার মূখ্য প্রতিবেদক রক্তিম দাস ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব টরেন্টোর সভাপতি দেবব্রত দে তমাল। বক্তব্য রাখেন, সাজু চৌধুরী, বাবেল চৌধুরী, কাবুল চৌধুরী, এজাজ আহমেদ খান, ফয়জুল ইসলাম খোকন, এহসান আহমেদ, বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রিপন, তায়েফ চৌধুরী, বাবলু খান, শামীম আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম মিঠু, সামুন ভূঁইয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা কাইয়ুম চৌধুরীর ভূয়সী প্রশংসা করে তার সফলতা কামনা করেন। 

প্রধান অতিথি সি এম তোফায়েল সামি তার বক্তব্যে বলেন, ''আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নয় কিন্তু বৃহত্তর সিলেটের রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতা পূরনের জন্য কাইয়ুম চৌধুরীর মতো সৎ, কর্মপ্রিয় ও ত্যাগী নেতৃত্ব এখন এগিয়ে আসতে হবে।'' 

জাহানারা নাসিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ''ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবারকে টরেন্টোতে একসাথে দেখে আমি অভিভূত, আনন্দিত। ফেঞ্চুগঞ্জের একজন সন্তান হিসাবে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি । আপনারা আমাকে আজ যে সম্মান দিলেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ফেঞ্চুগঞ্জবাসীর কল্যানে আমি অতীতে যেভাবে কাজ করেছি ইন্শাআল্লাহ আগামীতেও সময় এবং সুযোগ হলে এমনি ভাবেই কাজ করে যাবো। এ ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা আমার কাম্য। প্রবাসে এই ব্যস্ততম সময়ের মধ্যে ও আপনারা যেভাবে দেশের জন্য কাজ করছেন তা প্রশংসণীয়।''
প্রখ্যাত বাউল শিল্পী কালা মিয়া বলেন, ''আজ এখানে ফেঞ্চুগঞ্জবাসীকে একত্রিত দেখে আমি অবিভূত।''

সভাপতির বক্তব্যে নজরুল মিন্টো বলেন, কাইয়ুম চৌধুরী এবং কালা মিয়া আমাদের ফেঞ্চুগঞ্জ তথা বৃহত্তর সিলেটের দুই কৃতি সন্তান । আমরা ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবার তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে সাফল্য প্রত্যাশা করি। 

সভায় বক্তারা ফেঞ্চুগঞ্জ পরিবারের পক্ষ থেকে শীঘ্রই একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তাব করেন। 

সবশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে ।