logo

আপসের রাস্তায় হাঁটছে আওয়ামী লীগ

আপসের রাস্তায় হাঁটছে আওয়ামী লীগ

পঙ্কজ ভট্টাচার্য ঐক্য ন্যাপের সভাপতি ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা। চলমান রাজনীতি, ছাত্র আন্দোলন, আগামী নির্বাচন, পঁচাত্তরের পূর্বাপর ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সোহরাব হাসান

প্রশ্ন: গত (২ আগস্ট) ঢাকা কেমন দেখলেন?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: যখন হতাশা নানা দিক দিয়ে গ্রাস করে, তখনই নতুন প্রজন্ম আশা জাগায়। আজ তরুণদের কাছ থেকে সেই আশার বাণীই শুনলাম। তারাই পথ দেখাচ্ছে। শুধু নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ বাংলাদেশের পথ দেখাচ্ছে। এই কিশোর-তরুণেরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। ধানমন্ডি থেকে হেঁটে শাহবাগ এলাম। দেখলাম বয়স্ক মানুষ ও অভিভাবকেরাও তাদের সহযোগিতা করছেন। ছাত্ররা গাড়ির নম্বর দেখছে, পরীক্ষা করছে, যারা সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারছে, তাদের ছেড়ে দিচ্ছে। যারা দেখাতে পারেনি, তাদের আটকে দিচ্ছে।

প্রশ্ন: সড়ক পরিবহন খাতে কেন এই বিশৃঙ্খলা তৈরি হলো? কেন ছাত্রছাত্রীদের ট্রাফিকিংয়ের দায়িত্ব নিতে হলো?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: রাষ্ট্রব্যবস্থা যখন লুটেরা-দখলদারদের হাতে চলে যায়, তখন কোনো আইনই কাজ করে না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাপ্রত্যাশী উভয়ের চরিত্র এক। দুঃখের বিষয়, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে নেই। রাষ্ট্রপতিও এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, জাতীয় সংসদের ৮০ শতাংশই ব্যবসায়ী। তাঁরা জনগণের জানমাল নয় বরং দখলদারদেরই হেফাজত করছেন।

প্রশ্ন: কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তো বলছে, তারা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের ধারায় দেশ পরিচালনা করছে।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: অস্বীকার করছি না আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল। কিন্তু গত সাড়ে ৯ বছরে দলটি ক্ষমতায় থাকতে মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য ও অর্জনগুলো একে একে বেহাত হতে দিয়েছে, এখনো দিচ্ছে। নীতি-আদর্শের বদলে আপসের রাস্তায় হাঁটছে।

প্রশ্ন: তাহলে কি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে কোনো পার্থক্য দেখছেন না?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: পার্থক্য আছে। আওয়ামী লীগ শুধু মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলছে। কিন্তু ভেবে দেখছে না, বঙ্গবন্ধু কখনো নীতি-আদর্শের সঙ্গে আপস করেননি। মুক্তিযুদ্ধের আগে সিআইএর কর্তাব্যক্তিরা বলেছিলেন, ‘বিনা যুদ্ধেই তুমি বাংলাদেশ পেতে পারো। কিন্তু আমাদের একটি শর্ত মানতে হবে—সেন্ট মার্টিনে মার্কিন নৌঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিতে হবে।’ বঙ্গবন্ধু সেই শর্ত মানেননি। সেই দৃঢ়তা বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের কি আছে?

প্রশ্ন: আপনি বঙ্গবন্ধুর কথা বললেন। এই আগস্ট মাসেই তিনি কুচক্রীদের হাতে নিহত হলেন। আপনি তাঁকে কাছ থেকে দেখেছেন। নেতা হিসেবে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: আমাদের বারবার বঙ্গবন্ধুর কাছেই ফিরে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধু যে ভুল করেননি তা নয়, তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন পাকিস্তানি আমলাদের দিয়ে সোনার বাংলা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নীতি-আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তিনি সব সময় মানুষের প্রতি ভরসা রাখতেন।

প্রশ্ন: বাকশাল নিয়ে অনেক কথা আছে। আওয়ামী লীগেরও একাংশ (অবশ্যই ডানপন্থী) প্রচার করে, ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টিই বঙ্গবন্ধুকে দিয়ে বাকশাল করিয়েছিল?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: এই প্রচার ভিত্তিহীন। বাকশাল গঠনের আগে ত্রিদলীয় ঐক্যজোটের একটি বৈঠক হয়েছিল, যাতে বঙ্গবন্ধুসহ তিন দলের আমরা ছয় নেতা ছিলাম। বাকশাল নিয়ে আলোচনা হলো। কমরেড মণি সিংহই বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে মধ্যবিত্ত বহুদলীয় গণতন্ত্রে অভ্যস্ত। তারা একদলীয় শাসনকে ভালো চোখে দেখবে না। জবাবে বঙ্গবন্ধু বললেন, আপনারা তো সমাজতন্ত্র চান। কোনো সমাজতান্ত্রিক দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র নেই। আমি তখন বললাম, মানুষকে আমরা কী বোঝাব? বঙ্গবন্ধু কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নাম উল্লেখ করে বললেন, তিনি (কাস্ত্রো) তাঁকে ভারতীয় মডেলের বহুদলীয় গণতন্ত্রে না যেতে এবং স্বাধীনতাপক্ষের শক্তিকে নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে বলেছিলেন।

প্রশ্ন: পনেরো আগস্টের আগের ও পরের রাজনীতির মধ্যে বড় পার্থক্য দেখেন কি?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: পনেরো আগস্টের অভ্যুত্থান যাঁরা ঘটিয়েছেন, তাঁদের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানি আদর্শ ফিরিয়ে আনা। বঙ্গবন্ধুকে বাঁচিয়ে রেখে তো সেটি সম্ভব নয়। প্রথমে খোন্দকার মোশতাক এবং পরে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় নীতিতে পাকিস্তানি ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করলেন। ধর্মভিত্তিক দল পুনরুজ্জীবিত হলো। তাঁরা অর্থনৈতিকভাবেও পাকিস্তানি পথে হাঁটলেন। আমি বলব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ নির্মাণ করলেন।

প্রশ্ন: কিন্তু আপনারা ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টি থেকে তো জিয়ার খালকাটা কর্মসূচি ও গণভোটে ‘হ্যঁা’ ভোট দিলেন?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: আমি বলব, এটি ঐতিহাসিক ভুল। বামপন্থীরা সেদিন পরিস্থিতি মোকাবিলা না করে পরিস্থিতির কাছে আত্মসমর্পণ  করেছিল। জিয়াকে ‘সীমিত জাতীয়তাবাদী’ আখ্যায়িত করে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাপ। কিন্তু দলের ভেতরে দ্বিমত ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারিনি বলে ছয় মাসের জন্য ভারতে গিয়েছিলাম। ইন্দিরা গান্ধীর সহযোগিতা পেতে পি এন হাকসারের সঙ্গে দেখা করি। কিন্তু ১৯৭৭ সালে ইন্দিরা নিজেই ক্ষমতাচ্যুত হন এবং মোরারজি দেশাই এসে সহায়তার সব পথ বন্ধ করে দেন। আমরাও দেশে ফিরে আসি। অন্যদিকে চীনাপন্থী বামরা পনেরো আগস্টের ঘটনায় উল্লসিত হলেন এবং জিয়ার সঙ্গে হাত মেলালেন।

প্রশ্ন: সম্প্রতি তিন সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হলো। কেমন দেখলেন?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: ৩০ জুলাই একসঙ্গে তিন সিটিতে নির্বাচনী নাটক দেখল দেশবাসী। এর আগে খুলনা-গাজীপুরে পুলিশ আমলানিয়ন্ত্রিত যে নির্বাচনী মডেল তৈরি হয়েছিল, তাকেও পেছনে ফেলে দিল। সকাল থেকে নির্বাচনী বুথ দখল, ব্যালট ছিনতাই, বিপক্ষের প্রায় সব দলীয় প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বিতাড়ন, ব্যালট কেড়ে নিয়ে সিল মারা ও ব্যালট বাক্স ভরার ঘটনা ঘটল। এমনকি বরিশালে নারী মেয়র প্রার্থীকে মাটিতে ফেলে প্রহার করা হলো। অথচ প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুললেন। এটি নির্লজ্জ মিথ্যাচার।

প্রশ্ন: তাহলে কি বলতে চাইছেন নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরো ভেঙে পড়েছে?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: স্বৈরাচারী আমলের প্রচলিত নির্বাচনী প্রহসন, মিডিয়া ক্যু এবং বিএনপির আমলে কলঙ্কিত ‘মাগুরা মডেল’ থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারিনি। আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থাটি হয়ে উঠেছে গণবিচ্ছিন্ন।এতে গণরায়ের প্রতিফলন ঘটছে না।

প্রশ্ন: আগামী জাতীয় নির্বাচনের চেহারাও কি একই রকম হবে বলে?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: আগামী নির্বাচনে ভালো কিছু হবে, সেই ভরসা পাই না। উদ্বেগের বিষয় হলো, যেই জনগণের জন্য গণতন্ত্র ও নির্বাচন, ভোটের মাঠে সেই জনগণের উপস্থিতি নেই। যাঁরা নিয়ন্তা হওয়ার কথা, তাঁরা অসহায়। পুরো নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় কর্তৃত্ববাদ ও দখলদারি রাজত্ব চলছে। অথচ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম করেই আমরা ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলাম।

প্রশ্ন: তাহলে কি আবার তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বলছেন?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: তা বলছি না। তবে নির্বাচনকালীন সরকার হতে পারে, যাতে ক্ষমতাসীন দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও থাকবেন। একটি জায়গায় তো ঐকমত্যে আসতে হবে।

প্রশ্ন: আওয়ামী লীগ বলছে, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির সঙ্গে ঐকমত্য হতে পারে না।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে আমরাও ঐক্যের বিরোধী। কিন্তু এও স্বীকার করতে হবে যে বিএনপিতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছেন। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার। ক্ষমতায় এসে তিনি দেশের অনেক ক্ষতি করেছেন। কিন্তু তাঁর একাত্তরের ভূমিকা তো অস্বীকার করা যাবে না।

প্রশ্ন: জাতীয় রাজনীতিতে বামপন্থীরা কি ক্রমেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: বামপন্থীরা কখনো অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে না। একাত্তরে বামপন্থী ও জাতীয়তাবাদী ধারার সম্মিলনেই কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ সফল হয়েছিল। এমনকি পঁচাত্তরের পরও এই দুই ধারা একত্র হয়েছিল বলে আমরা স্বৈরাচারকে হটাতে পেরেছিলাম। মানুষকে নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দু করতে হবে। আমরা বলেছি, দলের প্রার্থী হওয়ার দরকার নেই। গণমানুষের প্রার্থী হতে হবে। সারা দেশে ১০ থেকে ১২টি আসনেও যদি সেটি সম্ভব হয়, তাহলে রাজনীতির ধারা পাল্টে যাবে। 

প্রশ্ন: বামদের এখনকার অবস্থা কী?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: হতাশাজনক। অতীতের সাফল্য-ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে ভবিষ্যৎ করণীয় ঠিক করবেন, এ রকম যোগ্য নেতৃত্বের অভাব আছে। জাতীয় রাজনীতিকে প্রভাবিত করার সক্ষমতাও কমে গেছে। তবে বামপন্থীরা শেষ হয়ে যায়নি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আবার তারা দাঁড়াবে। বামরা না থাকলে জাতীয়তাবাদী শক্তি আরও ডানে ঝুঁকবে, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করবে।

প্রশ্ন: নানা উপদলে বিভক্ত বামের একাংশ তো সরকারের সঙ্গে আছে; আরেক অংশ বাইরে।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: বামদের একাংশ সরকারে থাকলেও তারা নীতি-আদর্শ পুরোপুরি বিকিয়ে দিয়েছে মনে করি না। সরকারের ভেতরের ও বাইরে থাকা বামরা অভিন্ন নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে। মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারে। দেশের পরিস্থিতি জটিল ও বিপজ্জনক। বামদের বৃহত্তর ঐক্য না হলে বর্তমানে দেশ যে উল্টো পথে চলছে, তা রহিত করা যাবে না।

প্রশ্ন: পাকিস্তানকে নাকচ করে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল, তার অবস্থান এখন কোথায়?

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: কামরুদ্দীন আহমেদরা লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একাত্তরে আমরা যে বাংলাদেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম, সেটি ছিল সেক্যুলার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। এখন অধিকাংশ রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবী সেই লাহোর প্রস্তাবের বাংলাদেশই প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের পরিসর খুবই সংকীর্ণ হয়ে গেছে।

প্রশ্ন: আপনারা বলেন সংখ্যালঘুদেরনিরাপত্তা নেই।আবার অনেকের অভিযোগ,এখন সংখ্যালঘুরা অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: এটি খুবই সরলীকরণ। চাকরিবাকরির ক্ষেত্রে তারা কিছুটা সুবিধা পেলেও সার্বিকভাবে তাদের অবস্থা আরও নাজুক হয়েছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আমি ৩৭টি জেলা সফর করেছি। সে সময় সংখ্যালঘুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন হয়েছিল। তখন মানুষ আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। মুসলমান প্রতিবেশীরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু এই সরকারের আমলে রামু, নাসিরনগর, গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতালপল্লিতে আমরা অদ্ভুত এক জাতীয় ঐক্য দেখেছি। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের অভিন্ন স্থান। কেউ আক্রান্তের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে না। এটিকে আমি বলব সাম্প্রদায়িকতার কাছে রাজনৈতিক শক্তির আত্মসমর্পণ। এখানে ক্ষমতা মুখ্য, আর আদর্শ গৌণ হয়ে পড়েছে।

প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য: ধন্যবাদ।

এমএ/ ০১:১১/ ১৫ আগস্ট