logo

ধর্ষণ ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আইন এবং সচেতনতা প্রয়োজন

আখতারুজ্জামান ফারুক


ধর্ষণ ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আইন এবং সচেতনতা প্রয়োজন

আজকাল ধর্ষণের মাত্রা শুধু বেড়েই চলছে। পত্র-পত্রিকা খুললেই ধর্ষণ আর ধর্ষণ। এমন কোন দিন বাদ যায় না যেদিন চারটা-পাঁচটা খবর অন্তত থাকবে না। বাড়িতে, গাড়িতে, ক্ষেতে-খামারে, বাজার-হাটে, স্কুলে, কলেজে, ভার্সিটিতে, মাদ্রাসায়, মসজিদে-মন্দিরে সবখানে। কোন জায়গাই নিরাপদ নয়। বাবার কাছে মেয়ে, ভাইয়ের কাছে বোন, শিক্ষকের কাছে ছাত্রী, গুরুর কাছে মহিলা শিষ্য কারো কাছেই নিরাপদ নয়। শিশু, কিশোরী, যুবতী, বৃদ্ধা কেহই নিরাপদ নয়।

কিছু দাঙ্গাবাজ, সাম্প্রদায়িক, অসৎ চরিত্রের মানুষ আছে গোল পাকানোতে মত্ত। ওদের কাজই হচ্ছে এটা। কোন হিন্দু যদি মুসলিমের হাতে ধর্ষিতা হয়, অথবা কোন মুসলিম মেয়ে হিন্দুর দ্বারা ধর্ষিতা হলে আর তো কোন কথাই নেই। সংখ্যালগঘু আর সংখ্যাগুরুর দোহাই দিয়ে, দেয় ঝগড়া সৃষ্টি করে।

কেন ওরা জানেনা, ধর্ষক যেই হোক বা যে ধর্মেরই হোক সবাই সমান অপরাধী। তাহলে কেন ওরা সমাধানের চেষ্টা করেনা? কেন সবাই মিলে এর প্রতিরোধ গড়ে তুলেনা? এর পেছনে কারা দায়ী? নারী স্বাধীনতা, আর সমান অধিকারের নামে যে উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়া হচ্ছে তাতে উদ্ভূদ্ধ হয়ে এসব অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে।

আজকে একজন প্রতিবন্ধী শিশু, সেও রেহাই পাচ্ছে না। কারণ কি? এই জন্যে কি শুধু পুরুষই দায়ী? এসব অপরাধের সাথে তো নারীরাও জড়িত। তারপরও আমরা পুরুষদেরই দোষী সাব্যস্ত করি। বেড়ে গেছে যুবক যুবতীর প্রেম, নব দম্পতির পরকীয়া, এখান থেকেও তো অনেক ধর্ষণের সূত্রপাত হয়।

আমাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। এসব অপরাধ বন্ধ করতে হলে রাষ্ট্রীয় আইনের সাথে ধর্মীয় আইনের প্রয়োগ অতিব প্রয়োজন। সমাজকে ধর্মীয় অনুশাসন মতই চালাতে হবে। তাহলেই এসব অপরাধমূলক কাজ বন্ধ করা সম্ভব।

এমএ/ ০৮:২০/ ১৮ ডিসেম্বর