Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Financial

 কয় টাকার বিষ লাগবে

পল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে। দোকানদার : ভাই, বিষ দিয়া কী করবেন? পল্টু : আত্মহত্যা করব। দোকানদার : ক্যান ভাই? পল্টু : কিছু কিছু জিনিস আছে, যা কাউকে বোঝানো যায় না। দোকানদার : মানে? পল্টু : আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাঁশের সাথে বাম পা বেঁধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল। আমি এবার গরুর ডান পা ও বাঁশের সাথে শক্ত করে বাঁধলাম। অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল। ভাবলাম লেজটাও বেঁধে রাখি। কিন্তু লেজ বাঁধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাঁধতে লাগলাম। বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল। এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ওই অবস্থায় দেখলো। এখন আপনিই বলেন, আমি আমার বউকে কী করে তা বোঝাব? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে। এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না। দোকানদার : ভাই, কয় টাকার বিষ লাগবে? এমএ/০৯:৪০/২৪ অক্টোবর

১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই

মিস্টার রবার্ট আর মিসেস রবার্ট দুজন প্রায়ই একটি বেসরকারি বিমানবন্দরে বেড়াতে যান। সুন্দর, ছোট্ট বিমানগুলো দেখে রবার্ট মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা যদি একদিন এমন একটি বিমানে ঘুরে বেড়াতে পারতাম!’‘ মাথা খারাপ! অমন একটা বিমানে চড়তে ১০০ ডলার লাগে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ স্বামীকে বোঝান মিসেস রবার্ট। এভাবে এক দিন, দুই দিন, তিন দিন…প্রতিদিন মিস্টার রবার্টের একই আবদার। মিসেস রবার্টেরও একই কথা, ‘…১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ অবশেষে একদিন একজন বৈমানিক তাঁদের প্রতি সদয় হলেন। বললেন, ‘আমি তোমাদের বিনা মূল্যে আকাশটা ঘুরিয়ে আনতে পারি এক শর্তে। তোমরা একটা টুঁ শব্দ করতে পারবে না। যদি করো, তাহলে ১০০ ডলার দিতে হবে। ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’ মিস্টার আর মিসেস রবার্টকে নিয়ে বিমান আকাশে উড়ল। তাঁদের ভয় দেখানোর জন্য বৈমানিক আকাশে বেশ কয়েকবার ডিগবাজি খেলেন, মাটির খুব কাছাকাছি দিয়ে ছুটে গেলেন, প্রচণ্ড ঝাঁকি দিলেন। পেছনে টুঁ শব্দটাও হলো না। নিচে নেমে বৈমানিক বললেন, ‘কীভাবে পারলেন আপনারা?’ রবার্ট বললেন, ‘আমার স্ত্রী যখন জানালা দিয়ে পড়ে গেল, তখন একবার কথা বলব ভেবেছিলাম। কিন্তু চুপ মেরে গেছি। মুখ খুললেই তো ১০০ ডলার! আর আপনি তো জানেন, ১০০ ডলার মানে কিন্তু ১০০ ডলারই, এক পয়সাও কম হবে না!’

বোনাসের বাজেট বাঁচাতে একটা নোটিশ

হঠাৎ লোকসানের মুখে পড়া এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি কর্মচারীদের বার্ষিক বোনাসের বাজেট বাঁচাতে একটা নোটিশ টাঙাল— আপনি যদি দামি কাপড় পরে অফিসে আসেন, তাহলে আমরা বুঝব আপনি খুবই সচ্ছল, বোনাসের এই সামান্য কটা টাকা না হলেও আপনার চলবে। আপনি যদি আজেবাজে কাপড় পরে অফিসে আসেন, তাহলে আমরা বুঝব, আপনি ফালতু খরচ করেন। তাই বার্ষিক বোনাসের টাকা আপনাকে দেওয়া হবে না। কেননা আপনি সেটাও উড়িয়ে দেবেন। আপনি যদি একদম ঠিকঠাক কাপড় পরে অফিসে আসেন, সে ক্ষেত্রে আমরা বুঝব, আপনি বেশ ভালোই আছেন। তাহলে বোনাসের টাকা নিয়ে করবেনটা কী শুনি?

অর্থমন্ত্রীর পদ

অর্থমন্ত্রীর পদে নিয়োগ পেলেন জননেতা আবদুল কুদ্দুস। মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন এসে দেখলেন, তাঁর টেবিলের ওপর আগের অর্থমন্ত্রী একটা চিরকুট আর তিনটি খাম রেখে গেছেন। চিরকুটে লেখা আছে, ‘যখনই কোনো সমস্যা হবে, একটা করে খাম খুলবেন এবং তাতে যা নির্দেশ দেওয়া আছে, তা পালন করবেন।’ প্রথম বছরেই প্রচণ্ড সংকটে পড়লেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট কিছুতেই মেলে না। তিনি একটা খাম খুললেন। তাতে লেখা আছে, ‘আগের সরকারকে ইচ্ছামতো গালি দিন।’ তিনি তা-ই করলেন। আশ্চর্য ব্যাপার, সঙ্গে সঙ্গে ঝামেলা মিটে গেল। পরের বছর বাজেট নিয়ে আবার তিনি বিপদে পড়লেন। এবার খুললেন দ্বিতীয় খাম, তাতে লেখা, ‘আগের সরকারের সব পরিকল্পনা বাতিল করে দিন।’ তিনি তা-ই করলেন। আশ্চর্য, এবারও তিনি সমস্যা থেকে দিব্যি উতরে গেলেন। এবার এল তৃতীয় বছর। এ বছরও ঘাটতি বাজেট নিয়ে জটিল সমস্যায় পড়ে গেলেন আবদুল কুদ্দুস। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তিন নম্বর খামটা খুললেন। তাতে লেখা, ‘এবার পদত্যাগ করুন এবং হুবহু তিনটা খাম তৈরি করে টেবিলের ওপর রেখে বিদায় হন।’

উন্নয়ন কর্মকাণ্ড

একবার এক প্রকৌশলী বদলি হয়ে গেলেন এক এলাকার দায়িত্বে। গিয়েই তিনি তাঁর সহকারীকে আগের কয়েক বছরে কী কী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে, তার একটা রিপোর্ট করার নির্দেশ দিলেন। নির্দেশমতো তদন্ত করে সহকারী তাঁকে যথাসময়ে প্রতিবেদন দিলেন। তিনি ঘেঁটে দেখলেন, এলাকায় পানির সমস্যা নিরসনে একটি প্রশস্ত দিঘি খনন করার বাজেট দেওয়া হয়েছিল এবং রিপোর্টে উল্লেখ আছে, সেই দিঘিটা যথাসময়ে খনন করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা দাঁড়াল, যখন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তিনি রিপোর্টে উল্লিখিত জায়গায় কোনো দিঘি পেলেন না, তাঁর আর বুঝতে বাকি রইল না আসলে কী ঘটেছে। তিনিও এর সুযোগ নিলেন, তিনি ওপরের মহলে রিপোর্ট করলেন যে এই এলাকার মানুষ দিঘি থেকে পানি পান করে বলে এখানে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি, তাই অচিরেই যেন এই দিঘি ভরাট করে এখানে নলকূপ স্থাপনের বাজেট দেওয়া হয়। যথাসময়ে বাজেট মিলল এবং ‘না কাটা’ দিঘি ভরাট হয়ে গেল; সেই সঙ্গে ওই প্রকৌশলী ও তাঁর সহযোগীদের পকেটও ভরল।

ব্রিজ থেকে আয়

দুই দেশের দুই অসৎ যোগাযোগমন্ত্রীর মধ্যে গোপন আলাপ চলছিল। নাইজেরিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী তাঁর দেশের একটি ব্রিজের ছবি দেখিয়ে বললেন, এটার বাজেট ছিল ২০ কোটি টাকা। কিন্তু আমি ১৫ কোটি টাকায় বানিয়ে বাকিটা হজম করেছি! এরপর তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশের যোগাযোগমন্ত্রী একটি নদীর ছবি দেখিয়ে বললেন, এখানে ব্রিজ বানানো বাবদ বরাদ্দ ছিল ২০ কোটি টাকা। ‘কোথায় ব্রিজ? আমি তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।’ মন্ত্রী মুচকি হেসে বললেন, ব্রিজ থেকে আমার আয় হয়েছে পুরো ২০ কোটি টাকা!

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে